লন্ডনের যে বাড়িতে বসে উইলিয়াম শেক্সপিয়ার ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ লিখেছিলেন, সেই বাড়িটি শনাক্ত করেছেন এক গবেষক।
থিয়েটার ইতিহাসবিদ জিওফ্রি মার্শ প্রায় এক দশক ধরে এই বাড়িটি খোঁজার চেষ্টা করছিলেন। ১৫৯০ সালের দিকে ‘সর্বকালের মহাকবি’ শেক্সপিয়ার এই বাড়িতে থাকতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০০৮ সালের দিকে ইস্ট লন্ডনে একটি নাট্যশালার সন্ধান পাওয়ার পর মার্শ শেক্সপিয়ারের এই বাড়িটির সন্ধানে নামেন।
এর আগে অন্য এক গবেষণায় দাবি করা হয়, লিভারপুল স্ট্রিট স্টেশনের কাছে সেন্ট্রাল লন্ডনে থাকতেন শেক্সপিয়ার। আরও কয়েকটি এলাকায় তার থাকার কথা শোনা যায়। কিন্তু লন্ডনে তার থাকার জায়গা নিয়ে নির্দিষ্ট করে কখনো কিছু জানা যায়নি।
মার্শ বলছেন, ‘লন্ডনে শেক্সপিয়ারের থাকার জায়গা তার জীবন এবং কাজ সম্পর্কে আমাদের আরও গভীর ধারণা দেবে।’
দুনিয়ার মহত্তম সাহিত্যিকদের একজন হিসেবে শেক্সপিয়ারকে বিবেচনা করা হয়। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তার সমান অবদান থাকলেও নাটকের জন্য তিনি এক প্রকার অমরত্ব পেয়েছেন।
অ্যাসাসিনেশন’, ‘বেডরুম’ বা ‘অবসিন’-এর মতো ইংরেজির বহু শব্দ এবং ‘ব্যাগ অ্যান্ড ব্যাগেজ’, ‘ব্রেক দ্য আইস’ বা ‘নেকেড ট্রুথ’-এর মতো বাগধারা শেক্সপিয়ারের সৃষ্টি।
শুধু ‘দেয়ার ইজ ম্যানি থিং...’-এর মতো দীর্ঘ বাক্য নয়, ‘লাফ ইট অফ’-এর মতো ছোট বাক্য বললেও শেক্সপিয়ারকেই উদ্ধৃত করা হয়। এসব মৌলিক সৃষ্টি তাকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে রেখেছে।