রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) উৎসব মুখর পরিবেশে চলছে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরি ভবনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে এ ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে এক হাজার ১৩০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
জানা গেছে, নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে আওয়ামীপন্থী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ (হলুদ প্যানেল) এবং বিএনপি-জামায়াতপন্থী বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক গ্রুপ (সাদা প্যানেলের) ৩০জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম হামিদুল হক।
নির্বাচনে হলুদ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে বাংলা বিভাগের শিক্ষক খন্দকার ফরহাদ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম খান প্রার্থী হয়েছেন। তাদের বিপরীতে সাদা প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাইফুল ইসলাম ফারুকী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে পরিসংখ্যান বিভাগের আমিনুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
হলুদ প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি পদে শিক্ষক সাইয়েদুজ্জামানের বিপরীতে সাদা প্যানেলের জে এ এম সকিলউর রহমান (শাহীন), যুগ্ম-সম্পাদক পদে মোজাম্মেল হোসেন বকুলের বিপরীতে মুহা. আ. হামিদ এবং কোষাধ্যক্ষ পদে রেজিনা লাজের বিপরীতে সাইফুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ ছাড়াও সদস্য পদে হলুদ প্যানেল থেকে শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, শেখ শামসুল আরেফিন, এ এম শহীদুল আলম, সুশান্ত কুমার অধিকারী, রফিকুল ইসলাম (রয়েল), আজিজুর রহমান, এ কে এম মাহমুদুল হক (টুটুল), ওমর ফারুক (মাসুদ), কামারুজ্জামান ও সোমলাল দাস এবং সাদা প্যানেল থেকে রেজাউল করিম, আলতাফ হোসেন, আতাউল্যাহ, শাহাদাৎ হোসেন, ইয়ামিন হোসেন, সারওয়ার পারভেজ, মোস্তাফিজুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, তোহিদুল ইসলাম এবং এ এন এম জাহাঙ্গীর কবীর প্রার্থী হয়েছেন।
সাদা প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষকদের মধ্যে আমাদের প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা বেশি। প্রচারণার সময়ে আমরা ভোটারদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। বিগত কমিটির অধিকাংশ পদেই সাদা প্যানেল জয়ী হয়ে শিক্ষকদের দাবি দাওয়া নিয়ে কাজ করেছেন। আশা করি এবারও জয়ী হবো।”
এছাড়া হলুদ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী খন্দকার ফরহাদ হোসেনও একই কথা বলেছেন।
নির্বাচন কমিশনার এ বি এম হামিদুল হক বলেন, “সুষ্ঠুভাবে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। আশা করি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারবো।”