বগুড়ার গাবতলীতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় বাবা-ছেলেসহ পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় অপর চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বগুড়ার জেলা ও দায়রা জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো গাবতলী উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের রমজান আলী মোল্লা গেন্দার ছেলে ইসমাইল হোসেন, ইসমাইলের দুই ছেলে মামুন ও জুলফিকার আলী টুটুল, ইসমাইলের ভাই আব্দুর রহিম ও ময়েজ মোল্লার ছেলে সিরাজুল ইসলাম। এই পাঁচ আসামির প্রত্যেকের ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
এ ছাড়া এই মামলায় অপর চার আসামি যথাক্রমে শাজাহান আলী ও শিপনের সাত বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, সোহাগের তিন বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং রওশন আলীর এক বছরের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাহাদুরপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম মন্টুর কাছ থেকে ২০০৬ সালের ৩ জুন তারিখে আশার আলো সঞ্চয় সমিতির ৮০ হাজার টাকা ছুরিকাঘাত করে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ওই ঘটনায় মন্টুর বড়ভাই ইয়াছিন আলী মোল্লা বাদী হয়ে গাবতলী থানায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ক্ষিপ্ত হয়ে উল্লিখিত আসামিরা একই বছরের ১৭ জুন বিকেলে বাদী ইয়াছিনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহত ইয়াছিনের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।