চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে ওই পদের মৌখিক পরীক্ষা বাতিল করে আবারো পরীক্ষা নিতে নিয়োগ প্রত্যাশী মো. এমদাদুল হকের আবেদন নিষ্পত্তি করতে চবির উপাচার্যকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এমদাদুল হকের করা এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।
জ্যোতির্ময় বড়ুয়া দেশ রূপান্তরকে জানান, উচ্চ শিক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পাওয়া এমদাদুল হক গত ২৭ মার্চ চবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগের সাক্ষাৎকারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে যাওয়ার পর ছাত্রলীগ নামধারী সাতজন শিক্ষার্থী তাকে শিবির আখ্যা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তার ওপর কয়েক দফা চড়াও হয়ে চাঁদা দাবি ও মারধর করে।
তিনি বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানালেও তারা কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় পুলিশ এমদাদুলকে হাটহাজারী থানায় নিয়ে যাওয়ার পর ওই থানার ওসি তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। ওই ঘটনার পর ৩০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এমদাদুল। পাশাপাশি তাকে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে অনুরোধ জানান তিনি।
কিন্তু তাতে সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন এমদাদুল।
জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে প্রভাষক নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া এমদাদুলের আবেদনটি দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে।’