স্মৃতিতে রং

কুয়োর ধারে, হ্রদের বুকে খেলে বড় হয়েছেন রামবীর তানওয়ার। তবে বড় হয়ে দেখলেন সেগুলো মরে গেছে। গ্রামের মানুষ আবর্জনা ফেলে সেগুলো ভরে দিয়েছেন। এখন দেড় শ ফিট নিচ থেকে পাম্পে তারা পানি তোলেন। এরপর সেগুলো বাঁচাতে নামলেন তিনি। উত্তরপ্রদেশ সরকারও ভারতের এই ২৬ বছরের যুবকের পরিকল্পনা গ্রহণ করল। পুরো গল্প বলছেন ওমর শাহেদ ও নওরীন সুলতানা

গ্রামটির নাম ‘দাদহা’। ভারতের অন্যতম উত্তরপ্রদেশের ছোট্ট এই বসতি নয়দা থেকে সামান্য দূরে। সেটি পরিকল্পিত শহর। এই গ্রামের জমিগুলোতে আছে প্রচুর ঘাস, লতাপাতা, কৃষি ও পশুপালনের জন্য এগুলো আদর্শ। গ্রামেরই ছেলে রামবীর তানওয়ার; তারা আদিবাসী গুজ্জার জনগোষ্ঠীর মানুষ। শত শত বছরের ঐতিহ্য মেনে এখনো তাদের মূল পেশা কৃষিকাজ, গবাদি পশুপালন। রামবীররাও কৃষি খামারি হয়ে বেঁচে থাকেন। ছোটবেলায় প্রতিদিন গবাদি পশুগুলোকে খাবার খেতে নিয়ে যেতেন। পরে পাশের সরকারি স্কুলে পড়তে গেছেন। বাবাকে কাজে সাহায্য করেছেন। গ্রামের বিরাট হ্রদ, কুয়াগুলোর পাশে খেলে বড় হয়েছেন। যত লেখাপড়া শিখেছেন, জেনেছেন গ্রামের পানির বিরাট উৎস, প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রদগুলো আবর্জনা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে মারা যাচ্ছে।

তাদের জন্য কিছু করার ভাবনাটি এলো তার ২৪ বছর বয়সে। তখন তিনি ইউপি টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে বি. টেক (ব্যাচেলর অব টেকনোলজি বা প্রযুক্তিতে স্নাতক) চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র। ছেলেবেলার বন্ধুদের সঙ্গে সেগুলোতে খেলার স্মৃতি খুব মনে পড়ল। তবে এখন আর সেসব জায়গায় কেউ যান না। তিনি বেরিয়ে পড়লেন। ঘুরে ঘুরে দেখলেন, বেশির ভাগ হ্রদ জঞ্জালে ভরে গেছে, কুয়োগুলো অনেক আগেই মরেছে, পুকুরগুলোও নেই। বাড়ির ময়লা পানিতে ফেলা হয়েছে। সচেতনতার অভাবেই এই ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে উপলব্ধি হলো রামবীরের। খুব মন খারাপ হলো।

তার ছাত্রছাত্রীদেরও খেলার জায়গার কষ্ট হচ্ছে। গ্রামের ছোট শিশুদের তিনি পড়াতেন। শিক্ষকের সঙ্গে আলাপ করে তারাও বুঝতে শুরু করেছে, পানির এই উৎসগুলোকে বাঁচাতে কিছু করতে হবে। সে জন্য কাজ করতে বাবা-মাকে বললও। তবে পানি বাঁচাতে কোনো কিছু করতে হবে সেটি বিশ্বাসই করতে পারলেন না গ্রামের সরল মানুষগুলো। তারা তো সারা জীবন বিনা চেষ্টায় পানি হাতের কাছে পেয়েছেন। ফলে কিছুই করতে হবে না বলে ছেলেমেয়েদের ফিরিয়ে দিলেন। পুরনো জীবনধারায় অভ্যস্ত এই মানুষগুলোর নতুন আসা বিদ্যুৎ নিয়েও কী করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না এতটাই প্রাচীন তাদের ভাবনার জগৎ। তত দিনে দাদহার পানিপ্রবাহের অবস্থা তলানিরও নিচে। মাটির ২৫ ফিট গভীর থেকে শক্তিশালী ইঞ্জিনে তারা পাইপের মাধ্যমে পানি তুলে চাষাবাদ করেন। গ্রামটি শুকিয়ে মরে যেতে শুরু করেছে; এক বছর পর সেই পানিই দেড় শ ফিট নিচ থেকে আরও টাকা খরচ করে, আরও শক্তিশালী ইঞ্জিন দিয়ে তাদের টেনে তুলতে হচ্ছে। একসময় বিপুল পরিমাণে অপচয় করেছেন, এখন চোখের সামনেই তা হারিয়ে গেল!

অনেক ভেবে রামবীর দেখলেন, আইন এখানে কোনো কাজে আসবে না। পানির অপচয় করলে শাস্তি হবে বলে কাউকে বোঝানো যাবে না। বই পড়া বিদ্যাও তাদের দিয়ে কোনো লাভ নেই। ফলে প্রাচীন চাওপাল ব্যবস্থার আশ্রয় নিলেন তিনি। ভারত ও পাকিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকায় আদিবাসী ও গোষ্ঠীবদ্ধ জীবনযাপন করা মানুষের কোনো সমস্যা নিয়ে সমাজে আলোচনা করার স্থান হলো চাওপাল। ২০১৩ সালে গ্রামের নির্দিষ্ট চাওপালে আলোচনার মাধ্যমে ভারতের এক আইকনের যাত্রা শুরু হলো। যাকে বহুকাল ধরে উত্তরপ্রদেশ খুঁজে বেড়াচ্ছিল।

বেঁচে থাকার অন্যতম অবলম্বন পানির উৎসগুলোকে বাঁচাতে আলোচনায় আসতে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে গেলেন রামবীর। লেখাপড়া জানা, সুন্দর করে কথা বলতে পারেন; সমস্যাটি কীভাবে তৈরি হয়ে আজকের অবস্থায় এসেছে, চোখের সামনে দেখেছেন, একই গোত্রের লোক বলে তাকে মানা করতে পারেননি কেউ। বাড়ির উঠানে বসে পরিবারের সব সদস্যের সামনে কুয়া ও হ্রদগুলো কেন মারা যাচ্ছে, কীভাবে ধ্বংস হচ্ছে, কীভাবে ময়লা ফেলতে হবে এবং পানিকে ভালো রাখতে হবে, সব তিনি বললেন। ছাত্রছাত্রীরা স্যারের সঙ্গে থাকল। তারা সব শুনল, বলল। এই ছেলেমেয়েদেরই তাদের মা-বাবাকে আরও ভালোভাবে বোঝাতে অনুরোধ করলেন তিনি। সবার আসতে সুবিধা হবে, এমন জায়গায় ছুটির দিন রোববার বিকেলে উন্মুক্ত আলোচনার সিদ্ধান্ত হলো। তারা অভিভাবকদের জানাল। তাতে খুব ভালো সাড়া পাওয়া গেল।

পরের বৈঠকে আরও বেশি গ্রামবাসী উপস্থিত হলেন। আলোচনা শেষে কাজে নামলেন সবাই। রামবীর ছাত্রছাত্রী ও গ্রামের মানুষদের নিয়ে একটি নতুন পদ্ধতিতে কাজ শুরু করলেন। ময়লা ফেলার জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান ঠিক করে সেখানে গভীর করে গর্ত করলেন। সেটির নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত কাঠের বাক্স তৈরি করে রাখলেন, যাতে সেগুলো তুলে ফেলা যায়। মাটির কোনো ক্ষতি না হয়। প্রতিটি বাড়ির সঙ্গে এই ময়লার বাক্সের নালার মাধ্যমে সংযোগ করে দিলেন। তাতে আপনাতেই রান্নাঘর বা অন্য জায়গা থেকে ময়লাগুলো এই বাক্সে চলে আসতে পারবে। এরপর গ্রামের একটি একটি করে হ্রদ থেকে থেকে স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে জাল ফেলে ময়লা পরিষ্কার করেছেন। এরপর সেখানে আর কোনো দিন ময়লা বা আবর্জনা ফেলা হবে না এই প্রতিশ্রুতি গ্রামবাসীর কাছ থেকে আদায় করলেন। পুরো কাজটিই তারা সবাই মিলে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে করেছেন। সবশেষে মাছচাষিদের গ্রামে দাওয়াত করে ডেকে এনেছেন। লতা, গুল্ম খেয়ে বেঁচে থাকে এমন মাছ হ্রদে চাষের জন্য অনুরোধ করলেন। তারা অন্তত ১০ হাজার মাছের পোনা হ্রদে ছাড়লেন। আমাদের অতি পরিচিত কাতলা মাছের প্রধান খাবার হলো পুকুরের সবুজ কণা। ফলে পানি আরও পরিষ্কার হলো, তাতে অক্সিজেন প্রবেশ করে পানির মানও ভালো হলো। তত দিনে পানির এই উৎসের চারদিকে গ্রামের মানুষরা মিলে গাছের চারা রোপণ করলেন। পানি শীতল হতে লাগল, বাতাসে ভেসে আসা আবর্জনাগুলো গাছ ও ঘাসের মধ্যে আটকে যেতে লাগল। প্রতি সপ্তাহে তারা সেগুলোর গোড়া পরিষ্কার করতে শুরু করলেন। অনেক খাবার পেয়ে কিছুদিনের মধ্যে হ্রদের মাছগুলো বড় হয়ে গেল। বাজারে বিক্রির পর মাছচাষিরা লাভের টাকা পেলেন, হ্রদের মালিক গ্রামবাসীর তাদের অংশ দেওয়া হলো। সেই টাকায় তারা পানি পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থাপনা চালাতে লাগলেন। নিজেরা কম দামে মাছ পেয়ে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করলেন।

তাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঠেকানোর হাতিয়ার হলো গাছ। একটি হ্রদ তো একবারই রামবীর ও তার দলের পক্ষে পরিষ্কার করা সম্ভব; খুব কষ্টের কাজ বলে বারবার সেটিকে সুস্থ করে তোলা যায় না। ফলে নতুন ও প্রাকৃতিক এই ব্যবস্থাপনার দিকে তাদের ঠেলে দিতে হলো। গ্রামের লোকরাই তাদের সম্পদ ব্যবস্থাপনা শুরু করলেন।

এই উদ্যোগের অসাধারণ সাফল্যের খবর মানুষের মুখে মুখে ছড়াতে সময় লাগল না। আশপাশের গ্রামের হ্রদগুলোরও একই অবস্থা। তারাও কীভাবে এই কাজ করেছেন, কীভাবে কাজটি করবেন সেই পরামর্শ দেওয়ার জন্য রামবীর ও তার দলকে তাদের গ্রামে আমন্ত্রণ জানাতে লাগলেন। এখন রামবীরের গ্রামের আশপাশের ১০ গ্রামের মানুষ এভাবে কাজ করা শিখেছেন। নিজেরা উদ্যোগী হয়ে পানির উৎসগুলোকে তাদের জীবন বাঁচানোর স্বার্থে বাঁচিয়ে তুলছেন।

এই খবর জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও পৌঁছাল। তিনি রামবীরের উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিতে লাগলেন। তার সরকারি ফাইলে জাল চাওপাল নামে এই সামাজিক কর্মকান্ড লিপিবদ্ধ হতে লাগল। এই প্রকল্পের নামটি তারই দেওয়া। ফলে রাজ্য সরকারের কাছে পৌঁছাতে লাগল রামবীর নামের এক তরুণের প্রাকৃতিক সম্পদ বাঁচানোর জন্য সমাজ পরিবর্তনের গল্প। রামবীরও কম যান না। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেন তারা এই কাজ করছেন, সবাই মিলে কাজগুলো কীভাবে করা যায়, তাতে কীভাবে পানির আধারগুলো বেঁচে থাকতে পারে অভিজ্ঞতা ও কাজের মাধ্যমে জানিয়েছেন। ফলে আরও অনেক দূরের মানুষও এভাবে কাজ করা শিখেছেন।

এই করতে করতে ভিরন্ট টংগার্ডের কাছাকাছি এলেন রামবীর। এই পরিবেশ আন্দোলনকর্মী তাদের জেলায় পরিবেশের সংরক্ষণে কাজ করেছেন। এই তরুণ রামবীরকে আরটিআই (রাইট অব ইনফরমেশন অ্যাক্ট-২০০৫ এই আইনের মাধ্যমে ভারতের নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে) এবং পিআইএলের (পাবলিক ইন্টারেস্ট লেজিগেশন এটি জনস্বার্থে মামলা করার অধিকারের আইন) মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য অনুপ্রাণিত করলেন। কিছুদিনের মধ্যেই রামবীর আইনের মাধ্যমে পরিবেশ বাঁচানোর আন্দোলনে গেলেন। সেটি সরকারি কর্মকর্তাদের করা এক দুঃখের ইতিহাস। ২০১৪ সালে কর্মকর্তারা তাদের জেলার সুজাপুর জলাভূমিটি পরিবেশবান্ধব-পার্ক, শিশুদের খেলার পার্ক বানাতে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছিলেন। জলাভূমিটি পরিযায়নের সময় নানা জাতের পাখির বিচরণের আকর্ষণীয় স্থান। তারা এখানে আসে। তবে সেই পার্কগুলো করা হলে জলাভূমির শান্তি নষ্ট হয়ে যাবে। এটি ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে। ফলে এমন বিধ্বংসী কাজের বিরুদ্ধে রামবীররা আদালতে আবেদন করলেন। বিজ্ঞ বিচারক সরকারকে তাদের নির্মাণকাজ বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দিলেন। সরকারি অফিসাররা থেমে গেলেন। পাখিরা বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা পেল। এখন রামবীর ও ভিরন্ট অনেক এলাকায় পানি সংরক্ষণে মানুষকে সচেতন ও পানির প্রাপ্যতার অধিকার আদায়ে কাজ করছেন।

উত্তরপ্রদেশ রাজ্যসরকার রামবীরের জল চাওপাল কার্যক্রমের সাফল্যের তাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তারা ভূজল সেনা নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী গড়েছেন। এতে বিভিন্ন গ্রামের মানুষরা আছেন। তারা পানির উৎসগুলো বাঁচাতে রামবীরের জল চাওপাল উদ্যোগের কথা গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, আলোচনা ও উদ্যোগের জন্য ব্যানার বানাচ্ছেন। পরিষ্কার করা হ্রদগুলোতে নিয়মিত টহলও দিচ্ছেন। ভূজল সেনা দলের সমন্বয়কারী হয়েছেন রামবীর। তবে তিনি খুব দুঃখ পেয়েছেন, এই অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য এখনো সরকারের কোনো তহবিল নেই। এই পর্যন্ত পকেটের টাকা খরচ করে তিনি ব্যানার করা ও টহল দলগুলোর খরচ জোটাচ্ছেন। অথচ টাকাগুলো তার খুব কষ্টে রোজগার করা। এখনো তিনি প্রতিদিন ভোর ৫টায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। দুপুর ২টা পর্যন্ত টানা কাজ করেন। এরপর বাড়ি ফিরে এসে খেয়ে, সামান্য বিশ্রাম নিয়ে গ্রামের মানুষ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য বেরিয়ে যান। এই কাজ করার জন্য পাঁচটি চাকরি বদলেছেন, কোনো দিন রবিবারের সপ্তাহের ছুটি কাটাননি।

কেন চাকরি করছেন, কেন ছুটি কাটাচ্ছেন না এই প্রশ্নে জবাব, ‘আমার স্মৃতিময় শৈশবে হ্রদগুলোকে বাঁচানোর খরচ জোগাড় করতে চাকরি করি; মানুষকে সচেতন ও উদ্যোগী করতে কোনো ছুটি কাটাই না।’ তাদের মধ্যে আগ্রহ কেমন দেখেছেন? ‘গ্রামের মানুষের সঙ্গে আলাপ, কাজ করা খুব সহজ। তারা শুনতে আগ্রহী, এই কাজে অংশগ্রহণও বেশি করেন। শহরের এলাকায় মানুষ ময়লা পানির সংস্পর্শে আসতে চান না।’ নিজে গ্রামের মানুষ বলে তাদের পানির উৎস বাঁচাতে আগ্রহ ও উদ্যোগই তাকে এখনো এই কাজে রেখেছে। বলেই ফেললেন, ‘আমরা এখনো হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করি। তাদের দ্রুত সাড়া দেওয়া ও অংশগ্রহণ আমাকে প্রতিবার আরও কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে।’ তিনি তার গ্রামের তিনটির বেশি হ্রদকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন, কাছের গ্রামগুলোর নয়টি ও পুরো জেলার ১০টি হ্রদকে পাঁচ বছরে মরে যাওয়া থেকে রক্ষা করে পূর্ণ যৌবন ফিরিয়ে দিয়েছেন।

তাকে নিয়ে লেখালেখিও হচ্ছে। এই দেশে প্রতি মিনিটেই পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। যে সুপারহিরোর খোঁজে এতকাল উত্তরপ্রদেশ ছিল তিনি তা হয়েছেন।

তাকে নিয়ে সবার আশা অনেক। কারণ এই প্রদেশে গত ১৫ বছরে ১৩টি খরা হয়েছে। কৃষকরা ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দুশ্চিন্তা-হতাশায় কয়েকজন আত্মহত্যা করেছেন।