মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণে সময়ক্ষেপণ, আসামি মো. মুন্নাকে আটকে গড়িমসি এবং তদন্তে গালিফতির অভিযোগে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (তদন্ত) সোহেল রানাকে শোকজ ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দেলোয়ার হোসেনকে ক্লোজ করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার শাহজালাল।
তবে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি মো. মুন্নাকে (১৮) আটক করেছে র্যাব-৯।
শুক্রবার রাতে তাকে শ্রীমঙ্গল থানায় সোপর্দ করা হয়। সে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখান গ্রামের বাসিন্দা।
গত মঙ্গলবার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে একই এলাকার মুন্না।
এ ঘটনার তিনদিন পর শুক্রবার থানায় মামলা করে নির্যাতিত শিশুটির পরিবার।
মেয়ের বাবা বলেন, ওই দিন বিকেলে কাজ শেষে বাড়ি ফিরে তিনি মুন্নাকে ঘরে দেখতে পান। তাকে দেখে মুন্না দৌড়ে পালিয়ে যায়। এরপর মেয়েকে উদ্ধার মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. শাহজালাল গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালে গিয়ে ছাত্রীর খোঁজ নেন।
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(তদন্ত) মো. সোহেল রানা বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
ডা. পার্থ সারথী পাল কানুনগো বলেন, মেডিকেল বোর্ড গঠন করে মেয়েটির চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।