জাহাঙ্গীরনগরে রোববার থেকে পাওয়া যাবে মুক্তা পানি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন থেকে 'মুক্তা' পানি পাওয়া যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতারা এ উদ্যোগ নেন বলে জানা গেছে।

রোববার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া, হল ক্যান্টিন এবং অন্যান্য সব দোকানেও 'মুক্তা' পানি পাওয়া যাবে।

মঙ্গলবার সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জনাব সাইফুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এ পানিনর সরবরাহ নিশ্চিত করেন।

গাজীপুরে অবস্থিত, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয় মুক্তা পানির প্রকল্প। এর বিশেষত্ব হলো এ কারখানা সম্পূর্ণরূপে প্রতিবন্ধীদের দ্বারা চলে। এর পানি মাটির ভেতর থেকে তুলে আনা হয়।

এর আগে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সরকারি অফিসে এ পানির ব্যবহার না হওয়া এবং এর বাজারজাতকরণ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, 'দুর্ভাগ্য হলো, আমার অফিসে বলেও এই পানিটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না'।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি যখন বলি আমার জন্য হয়তো কিছু পাঠানো হয়, কিন্তু অন্য ব্রান্ডের পানি নিয়ে আসে। এই ব্রান্ডের (মুক্তা পানি) পানিটা বাজারজাতকরণে আন্তরিকতার একটু অভাব দেখি'।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা ক্যাফেটেরিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টি নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেন। 

তিনি বলেন যে, রবিবার থেকে ক্যাম্পাসের সব দোকান এবং ক্যাফেটেরিয়ায় পাওয়া যাবে মুক্তা পানি।'