কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে নিয়ে আসার সময় শাকসবজির ট্রাকে অনেক স্থানে চাঁদাবাজি হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির পক্ষে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন কৃষিমন্ত্রী।
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আঞ্জুম মিতার এ প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন নানা কারণে চাঁদা সংগ্রহ করে। সবজি পরিবহনের সময় চাঁদা আদায়ের বিষয়টিতে আমি দ্বিমত পোষণ করছি না। এটা সত্য যে কিছু কিছু পয়েন্টে চাঁদাবাজি হয়। চাঁদা আদায়ের ঘটনা ঘটছে। সেগুলো নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে ড. রাজ্জাক বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হবে না। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ২১ দশমিক ৭৯ শতাংশ। চলতি বছরে কৃষিপণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৭১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রাজশাহী-৪ আসনের এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০১৮ সালে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪৫৪ কেজি চা রপ্তানি করা হয়েছে।
জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী জানান, চাল রপ্তানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানতে আরও এক-দেড় মাস অপেক্ষা করতে হবে।
হবিগঞ্জ-১ আসনের গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশে ভোজ্য তেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৮ লাখ টন। এই চাহিদা পূরণে প্রতি বছর ১৬ থেকে ১৭ লাখ টন অপরিশোধিত ভোজ্য তেল আমদানি করা হয়ে থাকে।