‘করুণাময়ী রানী রাসমণি’ ধারাবাহিকে আপাতত বেশ কিছু চরিত্র নেই। এর মধ্যে জনপ্রিয় দুটি চরিত্রই বিদায় নিয়েছে। আনন্দময়ী (তানিয়া কর) এবং রাজচন্দ্র (গাজি আব্দুন নূর)। এই দুজনকে ধারাবাহিকে আপাতত দেখা যাচ্ছে না। রাজচন্দ্রর মৃত্যুও দেখেছেন দর্শক।
সম্প্রতি ভিসা এবং নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত জটিলতায় নূরকে ফিরে আসতে হয়েছে বাংলাদেশে। এদিকে আনন্দময়ী মানে তানিয়াও (আনন্দময়ী রাজচন্দ্রর বৌঠান) নাইজিরিয়ায়।
পরস্পরের সঙ্গে তাদের অফস্ক্রিন সম্পর্ক কেমন তা জানতে দর্শক বেশ আগ্রহী।
এ প্রসঙ্গে নূর বলেন, “তানিয়া দি আমার কাছে বড়দির মতো। সারা জীবন মনে রাখব। ‘রাসমণি’-তে... লাইট কীভাবে নিতে হবে, লুক কোথায় দিতে হবে প্রথমদিকে বুঝতে পারতাম না... তানিয়া দি প্রথম থেকেই আমাকে খুব হেল্প করেছিল।’’
অন্যদিকে তানিয়া শেয়ার করলেন, “নূরকে আমি আগে থেকে চিনতাম না। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে ওর সঙ্গে খুব ভালো বণ্ডিং হয়ে গেছে। ও খুব ভাল মানুষ। ও যেভাবে আমাকে ‘দি’ বলে ডাকে... সামহাউ এই ডাকটা আমার খুব সুইট লাগে। অনেক শুভেচ্ছা আর ভালবাসা ওর জন্য।”
গল্পের আনন্দময়ী ও রাজচন্দ্রর সম্পর্ক কেমন ছিল? নূর বললেন, “প্রথমদিকে তো গল্পে খুব জটিল দৃশ্য ছিল... কোথাও গিয়ে দর্শকরা হয়তো ভেবেছে এই দুই চরিত্রর মধ্যে প্রেম আছে। খুব ক্রিটিক্যাল, একটু এদিক ওদিক হলে ব্যালান্স থাকতো না। একটু এদিক ওদিক হলেই তানিয়াদির চরিত্রটা নেগেটিভ হয়ে যেতে পারত।”
আনন্দময়ীকে গল্পে মৃত দেখানো হয়নি। চরিত্রটা কি আবার ফিরতে পারে?
নূর বললেন, “হ্যাঁ, তানিয়াদির চরিত্রটা গল্পে এখনও জীবিত। এমন হতেই পারে যে তানিয়াদি কলকাতা ফিরলে আবার তার চরিত্রটা গল্পে এল।”
নির্বাচনী বিতর্কে জড়িয়ে পড়ায় টালিউডে নূরের ক্যারিয়ার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টেলি ইন্ডাস্ট্রির এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি জানান, নূর অত্যন্ত ভালো মানুষ। কেন যে এসব জটিলতায় জড়িয়ে পড়ল? ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও থেকে যাওয়াটা উচিত হয়নি। ভোট প্রচারে অংশ নেওয়ার আগে ভেবে দেখাও উচিত ছিল। আপাতত এপারে কাজ করার সুযোগ থাকলো না। ক্ষতিটা ওরই হল।”