অ্যান্টিগা টেস্ট শুরু হয়েছিল ১৯৮৩ সালের ২৮ এপ্রিল। ওটা ছিল সিরিজের পঞ্চম টেস্ট। উইন্ডিজের অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড টস জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন। ভারত ব্যাট করতে নেমে ভালোই রান করেছিল। রবি শাস্ত্রীর সেঞ্চুরি, কপিল দেব ও দিলিপ ভেংসরকারের নার্ভাস নাইটিজের ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৫৭ রান তুলেছিল সফরকারীরা। ২৯ এপ্রিল শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নেমে ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন গর্ডন গ্রিনিজ। অন্যপ্রান্তে ১৪ রানে ব্যাটিং করছিলেন ডেসমন্ড হেইন্স। ৩০ এপ্রিল দুই ক্যারিবিয়ান ওপেনার প্রায় সারাদিন ব্যাট করে সেঞ্চুরি তুলে নেন। হেইন্স ১৩৬ রানে আউট হন। গ্রিনিজ কিন্তু অপরাজিত ছিলেন ১৫৪ রানে। ওপেনিং জুটিতে উঠেছিল ২৯৬ রান। যা হোক, অ্যান্টিগা টেস্টে যখন সেঞ্চুরি করছিলেন গ্রিনিজ তখন তার মেয়ে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। পরের দিন মুমূর্ষু কন্যাকে দেখতে ছুটলেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে হাসপাতালে ভর্তির দুদিন পর মারা গিয়েছিল গ্রিনিজের মেয়ে। মর্মান্তিক শোকে আর ব্যাট করতে নামেননি তিনি। ফলে অ্যান্টিগা টেস্টের স্কোরকার্ডে এখনো তার নামের পাশে রিটায়ার্ড হার্ট লেখা। টেস্টটা কিন্তু ড্র হয়েছিল। তবে টেস্ট ইতিহাসে এমন ট্র্যাজিক সেঞ্চুরি বোধহয় দ্বিতীয়টি নেই।