ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে তীব্র গরমে কয়েক দফার থেমে থেমে বৃষ্টিতে ঢাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি দেখা গিয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকেই আকাশে মেঘ ছিল। তবে মেঘের আড়ালে সূর্যও উঁকি দিচ্ছিল। হঠাৎ করে সাড়ে ৯টা নাগাদ আকাশ ঢেকে যায় কালো মেঘে। এরপর শুরু হয় বৃষ্টি। তবে এ বৃষ্টি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। পরে প্রায় সারা দিনই থেমে থেমে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে হঠাৎ বৃষ্টিতে যেন স্বস্তি মিলেছে গত কয়েক দিনের দাবদাহে ভোগান্তির শিকার রাজধানীবাসীর। এবার বেশ ভারী বৃষ্টি পড়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে গত ২৭ এপ্রিল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পাঁচ দিন পর বাংলাদেশ সময় সকাল নয়টার দিকে ভারতের ওডিশায় আঘাত হানে ফণী। প্রায় সাত শ কিলোমিটার দূরে প্রবল এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলেও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রভাব পড়তে সময় লাগে মাত্র ১০ মিনিট।
ফণী আজ সন্ধ্যার পর খুলনা পেরিয়ে ঢাকার দিকে আসবে। দুর্বল হয়ে গেলেও ফণীর কারণে আজ সারা রাত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। আগামীকাল ফণীর প্রভাবে ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরে পরিচালক শামছুদ্দীন আহমেদ জানান, বাংলাদেশে যখন ফণী প্রবেশ করবে, তখন এর গতি অর্ধেকে নেমে ৮০-১০০ কিলোমিটার হবে। ধীরে ধীরে ফণী স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয় চলে যাবে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ের দিকে। তবে এর প্রভাবে শুক্রবার রাত ও কাল শনিবার সারা দিন বৃষ্টি থাকবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সবশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।