আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহানসহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে। আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহরিয়ার পারভেজ বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাজশাহী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলাটি করেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। আগামী ২৭ জুন তাদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপাচার্য ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন রেজিস্ট্রার আবদুল বারী এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সদ্য দায়িত্ব নেওয়া সভাপতি রফিকুল ইসলাম।
বাদীপক্ষের আইনজীবী নূরে কামরুজ্জামান বলেন, ‘আসামিরা যদি নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না হয়, তাহলে ছয় মাসের জেলা বা তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে।’ কামরুজ্জামান বলেন, ‘গত ২১ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ইস্যু করে আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে প্রেষণে আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগে স্থানান্তর করা হয় এবং সেই বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে ওই দিনই আদালতে মামলা করেন শাহরিয়ার পারভেজ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ এপ্রিল রফিকুল ইসলামের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে আদালত।’
মামলার এজাহারে বলা হয়, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনের বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করে মামলার আসামিদের কারণ দর্শানোর নোটিসসহ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে আদালত। এ আদেশ ২৫ এপ্রিল আদালতের বার্তাবাহক মামলার এক নম্বর আসামির কাছে নিয়ে আসেন। তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আদালতের প্রতি অবজ্ঞা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের ভাব, ঠাট্টা বিদ্রপসুলভ ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে কালক্ষেপণ করে বার্তাবাহকের নোটিসে স্বাক্ষর করে তাকে তাড়িয়ে দেন। এ কারণে আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।