দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়ে শপথ নেওয়ার আগেই টাকা আত্মসাতসহ নিরীহ মানুষের ওপর গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যানকে দলীয়ভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার দাবি তুলে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তোলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দিলীপ কুমার বোস বলেন, ‘নির্বাচিত হওয়ার পর শপথ নেওয়ার আগেই তিনি উপজেলার খাস-পুকুর ডাক নিয়ে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বলেন, পুকুর ডাকে যে ব্যক্তি তৃতীয় হয়েছেন তাকে পুকুর ইজারা দিতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আতাউর রহমান নবাবগঞ্জের দাউদপুর হাটে ইজারা তোলা বন্ধ করে দিয়েছেন এবং মোগরপাড়া ঐতিহাসিক বারনি মেলা ইজারার নামে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা রাজস্ব খাতে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।
নবাবগঞ্জ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে করতোয়া (মাইলা) নদী খনন কাজে অনিয়ম ও ব্যক্তিগত মালিকানাধীন কিছু ফসলি জমি নদী এলাকায় পড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানালে আতাউর রহমানের ছেলে শফিউল ইসলাম পিলু অস্ত্র নিয়ে মারার জন্য তেড়ে আসে। নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শর্টগান দিয়ে জনতার দিকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। যাতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আতাউর রহমানের মুঠোফোনে গতকাল কয়েকবার কল করলেও তিনি ধরেননি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. জিয়াউর রহমান, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুজ্জামান, ছাত্রলীগের সভাপতি শাহীনুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আশিকুর রহমান রানা প্রমুখ।