‘৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে। ইনজুরিতে প্রতিপক্ষ লিভারপুলের সেরা দুই ফুটবলার নেই। লা লিগার শিরোপা মুঠোয়। ফাইনাল হবে মাদ্রিদে। চিরশত্রুদের মাঠেই শিরোপা জেতার হাতছানি। দলে বিশ্বসেরা ফুটবলার। কিন্তু সব শেষ।’
এভাবেই বার্সেলোনার অবিশ্বাস্য পরাজয়ের শোক ঝরেছে রিয়াল মাদ্রিদভিত্তিক স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কার প্রতিবেদনে, যার শিরোনাম ‘ঐতিহাসিক ব্যর্থতা’। শোকের মাতম চলছে স্পেনে। কাতালান দৈনিকগুলো বার্সেলোনার এমন হারকে চরম লজ্জার হিসেবে দেখছে। বার্সেলোনাভিত্তিক ক্রীড়া দৈনিক ‘স্পোর্ত’ তাদের পুরো প্রথম পাতা কালো রেখেছে। তার ওপর সাদা হরফে লিখেছেÑ ‘ইতিহাসের সেরা লজ্জা’। সেই সঙ্গে যোগ করেছেÑ ‘বার্সার ইতিহাসে কালো অধ্যায় যোগ হলো’।
অ্যানফিল্ডের ম্যাচ দুরকম রাত এনে দিয়েছে ইংল্যান্ড ও স্পেনে। প্রভাব পড়েছে পরদিনের দৈনিকগুলোতে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফেভারিট বার্সেলোনাকে অবিশ্বাস্যভাবে হারিয়ে দেওয়া লিভারপুলকে প্রশংসা-বৃষ্টিতে ভাসিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম।
ডেইলি মেইল শিরোনাম করেছে ‘অ্যানফিল্ডের অলৌকিকতা’। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট লিখেছে, ‘কল্পনার জগৎ বাস্তব করে দিল অ্যানফিল্ডের এই নাটকীয়তা।’ দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, ‘আউট অব দিস ওয়ার্ল্ড’। অনেক সংবাদমাধ্যম মঙ্গলবারের সাফল্যকে ২০০৫-এর চেয়েও এগিয়ে রাখছে। ওই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে এসি মিলানের কাছে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও ম্যাচ ড্র করেছিল লিভারপুল। পরে পেনাল্টি শুটআউটে জিতে শিরোপা কব্জা করে তারা। এবারও বার্সার কাছে তিন গোলে পিছিয়ে থাকার ব্যবধান ঘোচাল অল রেডরা।