হঠাৎ বিকট এক শব্দ। চারদিক ঢেকে গেল ধোঁয়ায়। দুই বছরের খাদিজা-আল-হামদান তখনো বুঝে উঠতে পারেনি কী হয়েছে। খাদিজার এখনো বোঝা হয়নি সেদিন আসলে কী হয়েছিল। যখন বোঝার বয়স হবে, তখন জানবে আসাদ সমর্থিত বাহিনীর বিমান হামলায় তার পরিবারের সবাই মারা গেছে!
খাদিজা যে এলাকায় থাকে সেখানে সবশেষ বিমান হামলায় ৩০ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে বিবিসির খবরে বলা হচ্ছে।
খাদিজার পরিবার তাদের গ্রাম থেকে পালিয়ে এসে ওই এলাকায় বাস করছিল।
তারা একটি মুরগির খামারের দেখাশোনা করতো এবং ওই খামারের ভেতরেই থাকতো।
খাদিজার দাদা নিশ্চিত করেন যে বিমান হামলায় খাদিজা বাদে তার ছেলের পরিবারের বাকি সবাই মারা গেছে।
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে, তার স্ত্রী এবং আরও দুই সন্তানের সবাই মারা গেছে। তাদের দেহ আমরা হাসপাতাল থেকে নিয়ে এসেছি। খাদিজাই একমাত্র জীবিত সদস্য।’
সিরিয়া ভিত্তিক জিহাদি গ্রুপ হায়াত তাহরির আল-শামস ‘লোহা এবং আগুনে’র মাধ্যমে এই বিমান হামলার জবাব দেবে বলে হুমকি দিয়েছে।
সিরিয়ায় কিছুতে যুদ্ধ থামছে না। এখন ইদলিবে হাসপাতাল, স্কুল লক্ষ্য করে হামলা করা হচ্ছে বলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ বেশিরভাগ সদস্য অভিযোগ করেছে।