সুস্থভাবে রোজা পালনে কিছু নিয়ম মেনে চলুন। যেমন লোভ সামলে কম আইটেমের ইফতার, রাতের খাবারের পরিমাণ একটু বেশি এবং সাহরিতে সহজপাচ্য বা কম খাদ্য গ্রহণ করা উত্তম। কিন্তু প্রায়শ দেখা যায়, সবাই ইফতার ও সাহরিতেই বেশি পরিমাণে খাবার খাচ্ছেন। তাতে সমস্যা বাড়তেই থাকে। যেমন : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে না, হাইপারটেনশন, আমাশয়, কোষ্ঠবদ্ধতা, রক্তে লিপিডের পরিমাণ বাড়ে, এসিডিটি হয়। শুধু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে, খাদ্যাভ্যাস গ্রহণের অপকারিতা-উপকারিতা জেনে একটু নিয়মকানুন মেনে সাবধানতা অবলম্বন করলেই নিজেকে এবং পরিবারের সবাইকে নিয়ে সুস্থভাবে রোজা পালন সম্ভব। ইফতার ও সাহরির খাবার কেমন হওয়া উচিত তার একটি গাইডলাইন দেওয়া হলো
ক্ষীণ স্বাস্থ্যের ইফতার ও সাহরি
ইফতার :
৩টি খেজুর, ঘরে বানানো ১ গ্লাস টাটকা ফলের জুস অথবা লেবুর শরবত, লুচি ১টি অথবা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ১৫টি অথবা তেলের পিঠা ১টি, দই ২-৪ টেবিল চামচ অথবা চিড়া মাখানো, হালিম আধা বাটি অথবা ডিমমিশ্রিত সবজি খিচুড়ি, মৌসুমি ফল ১টি।
খাবারের পরিমাণ কম থাকলেও আইটেম বেশি রাখা উত্তম।
রাতের খাবারে রুটি খেলে তিনটা আর ভাত হলে দেড় কাপ পরিমাণের সঙ্গে দুই টুকরো মাছ বা মাংস, আধা কাপ ডাল, আধা কাপ সবজি, এক কাপ ফুলক্রিম দুধ বা দুধের তৈরি খাবার খেতে হবে।
সাহরি
দুধভাত এবং সালাদ অথবা সবজি খেতে হবে, সবশেষে একটি মৌসুমি ফল খেয়ে রোজা রাখুন। অভ্যাস করুন ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত কমপক্ষে আড়াই লিটার পানি খেতে।
ডায়াবেটিক রোগীদের ইফতার ও সাহরি :
ইফতার
শরবতÑ চিনি ছাড়া জাম্বুরা/তরমুজ/পেঁপের শরবত
সুপের চেয়ে সামান্য ঘন সবজি খিচুড়ি
দুটি পেঁয়াজু, দুটি বেগুনি, আধা কাপ হালিমÑ যেকোনো একটি
ছোলাভাজা ১ টে.চামচ, দইবড়া ছোট ১টাÑ যেকোনো একটি
মৌসুমি মিষ্টি স্বাদযুক্ত ফল ছাড়াÑ ১টি (তরমুজ/পেঁপে/আমড়া/পেয়ারা/চাঁপা কলা ইত্যাদি)
রাতের খাবার
রুটি+সবজি+ঘুমানোর আগে একটি ফল খেতে পারেন।
সাহরি
রুটি ১টা, মুড়ি ৫ মুঠ, চিড়া ২ মুঠÑ যেকোনো একটি
আঁশযুক্ত সবজি কারি ১ কাপ
মাছ/মাংস ১ পিস/ডালের ঘন অংশ ২ টে. চামচ
কম চর্বিযুক্ত চায়ের কাপের ১ কাপ দুধ