বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে স্বাস্থ্য বিষয়ক নানা ধরনের গবেষণা করায় পানীয় উৎপাদনকারী বহুজাতিক কোম্পানি কোকাকোলা। সেসব গবেষণার ফলাফল নিজেদের বিপক্ষে গেলে প্রকাশ করে না প্রতিষ্ঠানটি, বরং নষ্ট করে ফেলে!
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা বিভাগ এসব অভিযোগ তুলেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে গবেষণার চুক্তি করার সময় নিজেদের ইচ্ছামতো নীতিমালা সাজায় কোকাকোলা। সেখানে বিভিন্ন বাধ্যবাধকতা জুড়ে দেয় তারা। নীতিমালার শর্তে বলা থাকে, গবেষণার ফলাফল যেকোনো সময় পর্যালোচনা করতে পারবে কোকাকোলা। এমন কি ফলাফল নষ্ট করার অধিকারও থাকবে।
তথ্য আইন স্বাধীনতার ভিত্তিতে কেমব্রিজের একদল গবেষক যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং ডেনমার্ককে অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কোকাকোলার এই সব কাজ খতিয়ে দেখতে।
কেমব্রিজের পলিসি গবেষক সারা স্টিল এমন ঘটনাকে ‘বিরল’ বলে মন্তব্য করেছেন। পপুলার সায়েন্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গবেষণার আগে এমন চুক্তি বিরল ঘটনা। গবেষণার বিভিন্ন পর্যায়ে তারা নাক গলায়।’
নিয়মিত কোমল পানীয় পান করলে মানুষের নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে স্থূলতা একটি বড় চিন্তার কারণ। ২০১৫ সালে এই বিষয়ের উপর একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে কোকাকোলা। সেখানে দাবি করা হয়, কোকাকোলা পান করলে স্থূলতার সম্ভাবনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ে না।