সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ হয়ে গেছে। পাশাপাশি মামলার বিচারিক কার্যক্রমের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে মামলাটি ছয় মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আব্বাসের করা ফৌজদারি রিভিশন আবেদন গতকাল সোমবার খারিজ করে এসব আদেশ দেয় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
বর্তমানে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।
আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ‘ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডকে’ ২০০৬ সালে বাজারমূল্যের চেয়ে কমমূল্যে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে দুদক ২০১৪ সালের ৬ মার্চ মামলাটি করে। তদন্ত শেষে মির্জা আব্বাসসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রায় ১৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর মির্জা আব্বাস হাইকোর্টে ফৌজদারি রিভিশন আবেদন করেন। শুনানি শেষে গতকাল এ আদেশ হলো।