কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলোড়ন সৃষ্টি করতে যাচ্ছেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। অস্কারজয়ী নির্মাতা আসিফ কাপাডিয়ার তৈরি ‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা’র প্রিমিয়ার শো হবে আজ থেকে শুরু চলচ্চিত্র উৎসবে।
‘অ্যামি’র নির্মাতা তার নতুন তথ্যচিত্রের পোস্টারে ম্যারাডোনাকে যেমন নায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন, তেমনটি খলনায়কও বলেছেন তাকে। তবুও আসিফ কাপাডিয়ার জন্য ম্যারাডোনা কানের রেড কার্পেটে হাঁটবেন। রেড কার্পেটে এবার অনেকেই থাকবেন ব্র্যাড পিট, লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও, বোনো, ইগি পপ। কিন্তু ম্যারাডোনার মতো দর্শক আকর্ষণ কেউ কি করতে পারবে?
মাত্র ৩৪ বছর বয়সে মৃত্যুর কাছে হার মানা ব্রাজিলের ফর্মুলা ওয়ান তারকা আয়র্টন সেনাকে নিয়ে সিনেমা তৈরি করেছিলেন আসিফ কাপাডিয়া। এরপর আরও একজন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের জীবন কাহিনী ক্যামেরাবন্দি করার ইচ্ছে ছিল তার। পেয়ে গেলেন নাপোলিতে থাকাকালে আর্জেন্টাইন ফুটবল ঈশ্বরের উত্থান-পতনের ভেতরের কাহিনী।
আসিফ কাপাডিয়া বলছিলেন, ইতালিয়ান লিগে খেলার সময় কামোরায় নেপোলিয়ান মাফিয়াদের সঙ্গে ওঠাবসা ছিল ম্যারাডোনার। সে সময়কার কিছু চিত্র ১৯৯১-এর একটা ডকুমেন্টারিতে দেখানোর কথা ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়নি। সেসব ছবি কাপাডিয়ার হাতে এলে তিনি ভাবেন, এসব দর্শকের কাছে খুবই আকর্ষণীয় হবে। সে থেকেই ‘ম্যারাডোনা’ করার ভাবনা কাপাডিয়ার মাথায়। সেনাকে পছন্দ করতেন বলেই ম্যারাডোনা কথা বলতে তিনটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হয়েছিলেন বলে জানান আসিফ কাপাডিয়া। প্রামাণ্যচিত্রে ম্যারাডোনার নাপোলির জীবনীই তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। ম্যারাডোনা ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত নেপলসে ছিলেন। সেখানেই তার কোকেনের সঙ্গে পরিচয়। দুবার সিরি-আ এনে দিয়েছেন তিনি নাপোলিকে। আবার ওই সময়ের ভেতর ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে তার সেই ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের কাহিনী। ২৪ সেপ্টেম্বর এইচবিও ‘ম্যারাডোনা’ অনএয়ার করবে। কেমন দর্শক টানে এই প্রামাণ্যচিত্র তা দেখবার অপেক্ষা। এএফপি।