আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল ১৩তম এসএ গেমস হবে নেপালের কাঠমান্ডু ও পোখারায়। আগামী ১ থেকে ১০ ডিসেম্বর আসরটি আয়োজনের একটা খসড়া তারিখও অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে জানিয়েছিল নেপাল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে। তবে কাউকে না জানিয়েই গতকাল ওই আসরের লোগো ও মাসকট উন্মোচন করেছে নেপালের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী জগৎ বিশ্বকরমা সুনার। লোগোতে ১ থেকে ১০ ডিসেম্বর গেমসের তারিখও উল্লেখ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এর মধ্য দিয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হলো ডিসেম্বরেই হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ এই ক্রীড়া আসর।
নেপালের দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, গতকাল প্রকাশিত লোগোটির ডিজাইন করেছেন নেপালের শিল্পী ভোলনাথ পাডিয়াল। এই লোগো দিয়ে বোঝানো হয়েছে শান্তির প্রতীক উড়ন্ত পায়রা। পাশাপাশি লোগোর ওপরের অংশ দিয়ে বোঝানো হয়েছে হিমালয়কন্যা নেপালকে। আর এই আসরের মাসকট হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে নেপালের একটি প্রধান পশু কালো হরিণকে। ২০১৫ সালে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে কাঠমান্ডুর বেশকিছু খেলার ভেন্যু বিধ্বস্ত হয়। চীনের সহায়তায় আসরের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের ভেন্যু দশরথ রঙ্গশালার সংস্কারের কাজ এখনো চলছে।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শেষ হওয়া নিয়ে ছিল শঙ্কা। গতকাল লোগো ও মাসকট উন্মোচনের মধ্য দিয়ে যেন সেই শঙ্কাকেই দূর করতে চাইছে দেশটি। যদিও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এখনো তারা কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পায়নি আয়োজকদের কাছ থেকে। ফলে আসরটিকে সামনে রেখে প্রস্তুতিও শুরু করতে পারছে না তারা।