প্রেম ভেঙেছে বলেই ‘পটাকা’ গাইতে পেরেছেন নুসরাত ফারিয়া

ঢাকা-কলকাতার পরিচিতি মুখ নুসরাত ফারিয়ার সিঙ্গেল ‘পটাকা’ প্রকাশ হয়েছিল বছরখানেক আগে। গানটি বাংলাদেশের শ্রোতারা পছন্দ করেননি। ইউটিউবে ডিজলাইকের রেকর্ড গড়েন এই নায়িকা-গায়িকা।

এবার তিনি ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকাকে বললেন, “প্রেম তিন মাসের বেশি টেকে না। আবার ব্রেক আপ জোনে যাই। আবার প্রেম। অভিনেত্রীর জন্য এটা খুব হেলদি। আরে ব্রেকআপ হয়েছিল বলে ‘পটাকা’-র মতো গান করতে পেরেছি। যা সুপারহিট।”

পাঁচতারা হোটেলের মালিকরা নাকি নুসরাতকে ভয় পান! কারণ জিমে নায়িকার সময় কাটানোর বাতিক রয়েছে। তিনি বলেন, “আসলে জিম ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না। ওটাই আমার লাইফস্টাইল। বিরসা দাশগুপ্তর ‘বিবাহ অভিযান’ করতে এই তো কলকাতায় ছিলাম। তখন তাজ বেঙ্গলের জিমের দায়িত্বে যিনি আছেন তাকে পাগল করে দিতাম। সাড়ে পাঁচটার মধ্যে জিম খুলতেই হবে। ঢাকায় থাকলে তো আমি সাড়ে চারটায় উঠে পড়ি।”

নিজের সম্পর্কে বলেন, “দেখুন লোকে ভাবে বাংলাদেশের নায়িকা মোটা হবে। এটা আমি ভেঙে দিতে চেয়েছিলাম। ভেবেছিলাম নিজের মধ্যে এমন কিছু আনতে হবে যার জন্য মানুষ আমার কাছে আসবে। আগেই বললাম না, আমি একদিন টেলিভিশন না দেখে থাকতে পারব, কিন্তু জিমে না গিয়ে বাঁচতে পারব না। জিমে কোন দিন কী কাপড় পরব সেটাও আমার ঠিক করা থাকে। খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারেও তাই। আমি হোটেলে থাকলে শেফের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নিই। বলি, ভালোবেসে আমাকে বেশি বেশি দিয়ে দেন না যেন। কম কমে আমি খুশি।”

লোকে বলে, আপনার কম পোশাক পরার প্রবণতা আছে। এ প্রসঙ্গে ‘আশিকি’ নায়িকা বলেন, “দেখুন বিতর্ক, সমালোচনা আমাকে রোজ শুনতে হয়। আমি যে কাপড়ে কমফর্টেবল। দেখি আমাকে সুন্দর লাগে, আমি পরি। আমি লোকের কথা ভেবে চললে এই জায়গায় আসতে পারতাম না। মানুষ যক্ষের মতো বসে থাকে আমি কী কী করছি, পরছি।”

‘আল্লাহ মেহেরবান’ গানের সমালোচনা প্রসঙ্গে বলেন, “আমি জানি, অনেকে আমাকে এই গান নিয়ে যা নয় তাই বলেছিলেন। আমার মনে হয়, সবার এতটুকু বিবেকবোধ ও বিবেচনা থাকা উচিত যে এটা অভিনয়। কোনো কিছুকে আঘাত করার জন্য নয়। কখনোই শিল্পীরা তার নিজের পছন্দমতো গানের সঙ্গে পোশাক পরে নাচ শুরু করে দিতে পারে না। এটা কিন্তু পুরো টিমের সিদ্ধান্ত। গানটির জন্য প্রায় তিন মাস পরিশ্রম করেছি। নাচের দিকে মনোযোগ দিয়েছি। এটুকুই বলার।”

ঈদুল ফিতরে কলকাতায় মুক্তি পাবে নুসরাতের ‘বিবাহ অভিযান’। বাংলাদেশে মুক্তির অপেক্ষায় আছে শাকিব খানের বিপরীতে ‘শাহেনশাহ’।