মায়ের অসুস্থতার অজুহাতে বাড়িতে ডেকে স্কুলপড়ুয়া প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছে।
মামলার দায়েরের পর পরই পুলিশ অভিযুক্ত রনিসহ তার দুই সহযোগী হৃদয় ও রাসেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্কুলছাত্রীর বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সোহেল সিদ্দীকি জানান, চার বছর আগে রূপগঞ্জের বরপা রসুলপুর এলাকার এ/পি খান ডাক্তার বাড়ির ভাড়াটিয়া কাজল মিয়ার ছেলে মো. রনি মিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ৮ মে বুধবার বিকেলে রনি মিয়া মুঠোফোনে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে জানায়, তার মা গুরুতর অসুস্থ তাকে দেখতে চায়।
অসুস্থতার খবরে স্কুলপড়ুয়া ছাত্রী রাজধানী ঢাকার লালবাগ থানার ভাগালপুর লেনের বাসা থেকে সিএনজি অটোরিকশাযোগে এসে রনির সঙ্গে দেখা করেন। এক পর্যায়ে রনি সুকৌশলে তাকে তার মা’র ওখানে না নিয়ে রসুলপুর এলাকার খান ডাক্তারের বাড়ির নিচতলার রুমে নিয়ে যান। পরে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় স্কুলছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় রনির দুই বন্ধু একই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে হৃদয় ও রাসেল বাইরে পাহারারত অবস্থায় ছিলেন।
এদিকে পুলিশ মঙ্গলবার সকালে রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রনি মিয়া, তার দুই বন্ধু হৃদয় ও রাসেলকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করেছে।
রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ হাসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, স্কুলপড়ুয়া মেয়েটি থানায় এসে অভিযোগ করার সঙ্গে সঙ্গে মামলা গ্রহণ করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।