ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ

রপ্তানিযোগ্য পোশাক ছিনতাইয়ের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ছাত্রলীগ নেতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ ও যানবাহন ভাঙচুর করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৩৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৩ জনকে আটক করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কর্নগোপ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম বন্দর থানার এসআই রবিউল ইসলাম জানান, দুদিন আগে ঢাকার আশুলিয়া থেকে কাভার্ড ভ্যানভর্তি রপ্তানিযোগ্য পোশাক চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। পরে জানা যায়, গাড়ি থেকে ৩০ লাখ টাকার কাপড় সরিয়ে ফেলা হয়েছে। গাড়ির চালক ও হেলপারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা জানান, রূপগঞ্জ উপজেলার নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ভিপি সোহেলের লোকজন চালকের সহায়তায় কর্নগোপ এলাকার বায়ো ফার্টিলাইজার সারকারখানার ভেতর গাড়ি ঢুকিয়ে মালামাল সরিয়েছে। এ ঘটনায় কারখানার ব্যবস্থাপক কায়সার রহমান চট্টগ্রাম বন্দর থানায় মামলা করেন। পরে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও রূপগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় চট্টগ্রাম পুলিশ গত বুধবার রাতে সোহেলের নুহা পল্লী থেকে আসামি সরকারি মুড়াপাড়া কলেজে শাখার ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সজিবসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহামুদুল হাসান বলেন, সজিবসহ বাকিদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে রাত ৩টার দিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কর্নগোপ এলাকায় অবস্থান নেয়। তারা আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করে। এ সময় তারা ৮-১০টি যানবাহন ভাঙচুর করে। পুলিশ ১৩ জনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।