ঝড়ে বায়তুল মোকাররমের প্যান্ডেল ভেঙে নিহত ১

রাজধানীতে শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎ ঝড়ে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ পাশের মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের জন্য তৈরি প্যান্ডেল ভেঙে একজন নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় অন্তত ১৫ আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

নিহত ব্যক্তির নাম শফিকুল ইসলাম (৩৫)।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশের দায়িত্বরত ব্যক্তি বাচচু মিয়া দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  

আহতদের ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

খবর পেয়ে সদর দফতর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঝড় শুরু হলে এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দফতরে দায়িত্বরত জীবন মিয়া জানান, এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়েছে। 

আহতরা জানান, ইফতারের পর নামাজে দাঁড়ালে হঠাৎ ঝড়ো বাতাসে বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ পাশে বানানো সামিয়ানা ভেঙে পড়ে। এতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। 

পরে ফায়ার সার্ভিস তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

নিহত শফিকুল ইসলাম লালমনিরহাট আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আলীর ছেলে। পোস্তগোলায় একটি টায়ার কারখানায় কাজ করতেন তিনি।

থাকতেন ওই কারখানাতেই।

তাকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে আসা শ্যালক সাইফুল ইসলাম জানান, তারা দুজনে বায়তুল মোকাররম মসজিদে ইফতার করেন। ইফতার শেষে মাগরিবের ফরজ নামাজ আদায় করেন। এর পর সুন্নত নামাজের নিয়ত করার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ ঝড়ো হাওয়ায় চারদিকে অন্ধকার হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই নামাজের জন্য বানানো প্যান্ডেল তাদের ওপর ভেঙে পড়ে।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন, মো. রফিউজ্জামান, মনিরুল ইসলাম, মো. আব্দুল কুদ্দুস, মো. জানে আলম, সাদিকুর রহমান সবুজ, তারেক রহমান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সহকারী উপ-পরিদর্শক এএসআই শরিফুল ইসলাম, মাসুদ, জহিরুল ইসলাম, সজীব, বিপ্লব, আমানুল্লাহ, বাবুল হোসেন ও হেলাল উদ্দিন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক মো. আলাউদ্দিন জানান, সবাই জরুরী বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কেউ গুরুতর আহত নয়।