রোজায় বাহারি ইফতারের পসরা সাজিয়েছে নারায়ণগঞ্জের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো। প্রতি বছরের মতো মিলছে ঐতিহ্যবাহী হিসেবে পরিচিত বিশেষ ব্যতিক্রমী আইটেম। শহরের বঙ্গবন্ধু রোডে সুগন্ধা প্লাস রেস্তোরাঁয় ইফতারের আয়োজনে রয়েছে ৫৬ ধরনের খাবার। এর মধ্যে স্পেশাল আইটেম মুসলিম কাবাব।
শহরের ঈদগাহসংলগ্ন মেলা ফুড ভিলেজে ইফতারে রয়েছে ৫৩টি আইটেম। এর মধ্যে আছে গরুর মাংসের ৬টি, মুরগির মাংসের ১৯টি, জিলাপি ও নানরুটির ৯ এবং ৮ ধরনের জুস। স্পাইস গার্ডেনে ইফতারের মেনু ২টি : একটি বাঙালি স্পেশাল, একটি চাইনিজ স্পেশাল। মূল্য যথাক্রমে ৩০০ ও ৩৫০ টাকা। ভূতের বাড়ি রেস্টুরেন্টে ইফতারের জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ৩টি মেনু। প্রতিটি মেনুতেই রয়েছে ১৪টি আইটেম। খাবারের ভিন্নতা ভেদে দাম ২৯৯, ৪৫০ ও ৫২০ টাকা।
নগরীর নামি রেস্তোরাঁর মধ্যে অন্যতম দ্য গ্র্যান্ডহল রেস্টুরেন্ট। তাদের ইফতারে রয়েছে ৩টি বিশেষ সেট মেনু। প্রতিটিতে ১৪-১৫টি আইটেম করা হয়েছে। কফি হলিক ক্যাফে সুস্বাদু ইফতার আইটেমের সঙ্গে নামে এনেছে কিছুটা ভিন্নতা। ৩টি সেট মেনু আলিফ, বা, জিমের দাম যথাক্রমে ২২০, ২৬০ ও ৩০০ টাকা। চিট চ্যাট রেস্টুরেন্টে ইফতারের পাশাপাশি সাহরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাহরির সময় প্রতিদিন রাত ১১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। দ্য সাফরন বাংলাদেশ রেস্টুরেন্টে রমজান উপলক্ষে সকল খাবারে ১৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে।
নগরে জুসের জন্য জনপ্রিয় টিটল টেটল রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড জুস পার্লার। ইফতারে আঙুরের জুস, মাল্টা জুস, লেবুর জুস, তরমুজের জুসসহ তাদের বিশেষ একটি সেট মেনু রয়েছে। এর মূল্যে ২১৫ টাকা। জিম খানা লেকের পশ্চিম পাশের লেক সাইড ক্যাফে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইফতারের আয়োজনে ভাজাপোড়া খাবারসহ ১৮টি আইটেম আছে এখানে। তার মধ্যে ৩টি বার্গারে রয়েছে বিশেষ অফার। একটি বার্গার কিনলে আরেকটি ফ্রি। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আলম কেবিন হোটেলেও দেখা যায় ক্রেতার ভিড়। তাদের বিশেষ আইটেমের মধ্যে রয়েছে হালিম। শহরের ২ নং রেলগেটে মনির রেস্টুরেন্টেও রয়েছে বাহারি ইফতারের আয়োজন। এর স্বত্বাধিকারী সাবেক প্যানেল মেয়র মনিরুজ্জামান মনির দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পুরান ঢাকা আর চট্টগ্রামের ইফতার আয়োজন দেশসেরা। তবে নারায়ণগঞ্জও কম না তা আমরা এবার প্রমাণ করেছি।’