মে’র সরকার দুর্বল, তাই বৈঠক ভেস্তে দিলো বিরোধী দল!

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সরকার দুর্বল এবং অস্থিতিশীল- এমন যুক্তি দেখিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ভেস্তে দিয়েছে প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি।

ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই থেরেসা মে’র সঙ্গে বৈঠক ভেস্তে দিলো বিরোধীরা।

এ বিষয়ে টুইটারে লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন লিখেন, “আমি থেরেসা মে-কে লিখেছি যে, ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে আলোচনা যতদূর করা সম্ভব ছিল, ততটাই হয়েছে।”

এর আগে বৃহস্পতিবারেই ঠিক হয়ে যায়, পার্লামেন্টে নতুন ব্রেক্সিট ভোটে হারলে জুন মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী পদ ছেড়ে দিতে হবে থেরেসাকে। দলীয় এমপিদের ফোরামে এ সিদ্ধান্ত হয়।

প্রসঙ্গত, বর্ধিত সময় অনুযায়ী ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যেতে হবে ব্রিটেনকে।

এদিকে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “কয়েকটি বিষয়ে একমত হতে পারলেও বেশ কিছু বিষয়ে জটিলতা কাটেনি।”

ব্রেক্সিট নিয়ে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব রয়েছে। ব্রেক্সিট নিয়েই চলবে দেশ নাকি ফের গণভোটের রাস্তায় হাঁটা হবে তা ঠিক করতে পারছে না দলটি।

ইতোমধ্যে থেরেসার আনা ব্রেক্সিট চুক্তি তিনবার খারিজ করে দিয়েছে হাউস অব কমন্স। এবার ভোটে হারলে প্রধানমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেবেন বলে দলের এমপিদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।