বুথের অবস্থা শুনে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছিল মিমির

ভোট-উত্তেজনা থেকে অনেকটা দূরে কালিকাপুরে তৃণমূলের অফিসে রোববার বিকেলে অবস্থান নেন মিমি চক্রবর্তী। অবশ্য ভোলেননি গরমের মধ্যে লাইনে থাকা ভোটারদের কথা।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানা যায়- সোনারপুরের বিধায়ক ফেরদৌসী বেগমকে ফোনে বললেন, “যারা লাইনে ঠায় দাঁড়িয়ে তাদের জলটল দেওয়া হচ্ছে তো!”

তিনি আরও বলেন, ‘‘সকালে দশটাতেও যখন সোনারপুরে ইভিএম বিগড়ে থাকার খবর শুনছি, আমার তো হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছিল!’’

যাদবপুরে মিমির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বর্ষীয়ান বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বা অনুপম হাজরা দিনভর গোটা এলাকা ঘুরছেন! তবে তৃণমূলের তারকাপ্রার্থী নিজের গায়ে কার্যত রোদ লাগতে দেননি। আর তার ভোট আগেই দেওয়া হয়েছিল জলপাইগুড়িতে।

এদিকে বিক্ষিপ্ত গোলমালের খবর অবশ্য মিমির কানে ঢুকেছে। এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘নাহ, ভায়োলেন্স-মারপিট আমি দেখতে পারি না!’’

বেশির সময় বাড়িতে থাকা নিয়ে বলেন, ‘‘দেখুন, আমি চাইনি আবার ‘নায়িকার সঙ্গে সেলফি’ একটা শিরোনাম হোক। ভোট একটা সিরিয়াস ব্যাপার! ভোটের সময়ে আমাকে নিয়ে মাতামাতিতে লোকের মনঃসংযোগ ঢিলে হোক সেটাও চাইনি!’’

কিন্তু বুথে তাকে দেখে কি ভোটাররা বাড়তি উৎসাহ পেতেন না? নায়িকার মন্তব্য, ‘‘৮-৯বার করে সব ওয়ার্ড ঘুরেছি, খান ৫০ মিটিং! আমি তো সবার কাছে পৌঁছতে চেষ্টার ফাঁক রাখিনি।’’

ভোটের দিন মিমির ব্রত ছিল! মুসলিম ভোটারদের অনুভূতির শরিক হতে একদিনের রোজা রেখেছেন মিমি। বলেন, ‘‘সকালে নুসরাতের (জাহান) বলে দেওয়া সময় মতো অ্যালার্ম দিয়ে খেজুর, ফলটল খেয়েছি। তারপর জলও না!’’ বাড়ি ফিরে সন্ধ্যা ছয়টা দশ নাগাদ রোজা ভাঙলেন।

ভোটের পরে কি টেনশন কমল? হাসলেন মিমি। জানালেন, ফল প্রকাশের আগে চট করে পুরীতে জগন্নাথ-দর্শনটাও সেরে আসবেন।