ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

কোনাবাড়ী, চন্দ্রা ফ্লাইওভার খুলে দেওয়া হচ্ছে ২৫ মে

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরার জন্য গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী ও কালিয়াকৈরের চন্দ্রা মোড়ে নির্মাণাধীন দুটি ফ্লাইওভার যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে আগামী ২৫ মে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্লাইওভার দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও সাউথ এশিয়া সাব-রিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক) প্রজেক্টের এক নম্বর প্যাকেজের প্রকল্প ব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান। এদিন প্রধানমন্ত্রী একই মহাসড়কের

কড্ডা ও বাইমাইল এলাকায় দুটি সেতুও উদ্বোধন করবেন। হাফিজুর রহমান আরও জানান, এ প্রকল্পের আওতায় নাওজোর ও সফিপুর বাজার এলাকায় আরও দুটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। শিগগিরই এ দুটি ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কেয়ারইয়ং-স্পেক্ট্রা’র উপ-ব্যবস্থাপক সাখাওয়াৎ হোসেন বিশ্বাস জানান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এডিবি’র অর্থায়নে সাউথ এশিয়া সাব-রিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক) প্রজেক্টের আওতায় তিন বছর পূর্বে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস মোড় থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার মহাসড়কের ফোর লেনে উন্নীতকরণের কাজ শুরু হয়। প্রথম পর্যায়ে জয়দেবপুর ভোগড়া বাইপাস মোড় থেকে কালিয়াকৈর বাইপাস মোড় পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার মহাসড়ক ফোর লেনে উন্নীতকরণ এবং ব্রিজ ও ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয় এক হাজার ৩৫ কোটি টাকা। কাজ শেষ করার নির্ধারিত তিন বছর সময় গত ডিসেম্বরে শেষ হয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে  প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ অংশের কাজ সমাপ্ত করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গাজীপুর অংশে চার লেন বিশিষ্ট মহাসড়কটিতে চারটি ফ্লাইওভার, তিনটি ব্রিজ ও কালভার্টসহ ড্রেনেজ সিস্টেম রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৫০ মিটার দীর্ঘ কোনাবাড়ী ও ৩০০ মিটার দীর্ঘ চন্দ্রা ফ্লাইওভারের কাজ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হবে।