ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির আহ্বান

ভেজাল ও নিম্নমানের খাবারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনরা। বাংলাদেশে বিনা অপারেশনে হৃদরোগ চিকিৎসার পথিকৃৎ সাওল হার্ট সেন্টার বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘নিরাপদ খাদ্যের স্বরূপ সন্ধানে’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এমন আহ্বান জানান বক্তারা।

আলোচনা সভায় ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, ভেজাল রাজনীতির কারণে খাদ্যেও ভেজাল ঢুকেছে। উভয় ভেজালের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়তে হবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে। সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, বাংলাদেশে সবচেয়ে ভয়াবহ বিপদ হলো নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের সংকট। মেধাবী জাতি গঠনে নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নেই। ভেজাল খাদ্যের জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা যেমন দায়ী তেমনি জনগণের সচেতনতার অভাবও দায়ী।

ড. শামসুল আলম বলেন, খাদ্য সরবরাহ চেইন দূষণমুক্ত করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সর্বত্র জনগণের অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিকল্প নেই।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দিনের পর দিন ভেজাল খাদ্য খেয়ে জটিল ও মারাত্মক সব রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাংলাদেশে অধিকাংশ খাদ্যদ্রব্য অনিরাপদ বা বিভিন্ন মাত্রায় ভেজালযুক্ত। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি, ডাকসুর সাবেক জিএস ডা. মুশতাক হোসেন, নারীনেত্রী খুশি কবীর, অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, বাংলাদেশ ফুড সেফটি ফাউন্ডেশনের সিইও মুশতাক হাসান মো. ইফতেখার প্রমুখ।