শিরোপা ধরে রাখার মিশন প্রত্যাশিত জয়ে শুরু করল অস্ট্রেলিয়া। ৭ উইকেটের বড় জয়ে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিয়েছে অ্যারন ফিঞ্চের দল। বল ট্যাম্পারিং কান্ডে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে দুর্দান্ত শুরু পেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেই থেমেছেন এই ব্যাটসম্যান। আসরের প্রথম সেঞ্চুরি করেই থামতেন যদি আফগানদের স্কোর আরও বড় হতো। শেষ পর্যন্ত ১১৪ বলে ৮৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। ওয়ার্নারের সঙ্গে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ার সুযোগ অল্পের জন্য হাতছাড়া করেন নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরা অপর অজি তারকা স্মিথ। ১৮ রানে ফিরেছেন ম্যাচ জয়ের আগ মুহূর্তে। অবশ্য ইংলিশ সমর্থকদের দুয়ো পিছু ছাড়েনি তাদের। আগে ব্যাট করে ২০৭ করা আফগানিস্তানের টার্গেট টপকাতে বেগ পেতে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে। ৩৪.৫ ওভারে ৩ উইকেটেই ২০৯ করে ম্যাচ জিতে নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
টুর্নামেন্টের ধারা মেনে গতকালের দ্বিতীয় ম্যাচটিও একপেশে হয়েছে। তাতে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার মতো হতাশ করেছে এশিয়ার অপর প্রতিনিধি আফগানিস্তানও। তবে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চেয়ে রশিদ খানদের পারফরম্যান্স ছিল ভালো। ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারালেও অজি বোলিং মোকাবিলা করে ম্যাচে ফেরে দলটি। গুলবাদিন নাইব ও নাজিবুল্লাহ জাদরান মিলে ৮৩ রানের জুটিতে লড়াই ফিরিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়াকে। নাজিবুল্লাহ ৫১ রান করে প্রথম কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরির আনন্দ পান। অধিনায়ক গুলবাদিন ৩১ করেন। এর আগে টপঅর্ডার রহমত শাহ ৪৩ করেন।
রান তাড়ায় নামা অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ওয়ার্নারের দিকেই নজর ছিল। ওয়ানডে থেকে বছরের বেশি দূরে থাকার পর ফিরে এসে কেমন করেন সেটাই দেখার। তবে ওয়ার্নার খেললেন আগের মতোই। অবিশ্বাস্য বিষয় একটাই, ১১৪ বলে ৮৯ রানের ইনিংসে একটিও ছয় নেই ওয়ার্নারের। তবে ৬৬ করা ফিঞ্চকে নিয়ে ৯৬ রানের উদ্বোধনী জুটিতেই দলের শুভসূচনা নিশ্চিত করে ফেলেন এই ওপেনার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আফগানিস্তান : ২০৭ (৩৮.২ ওভার) (নাজিবুল্লাহ ৫১, রহমত শাহ ৪৩, গুলবাদিন ৩১, রশিদ খান ২৭, মুজিব ১৩; কামিন্স ৩/৪০, জাম্পা ৩/৬০, স্টোয়েনিস ২/৩৭)
অস্ট্রেলিয়া : ২০৯/৩ (৩৪.৫ ওভার) (ওয়ার্নার ৮৯*, ফিঞ্চ ৬৬, খাজা ১৫, স্মিথ ১৮; গুলবাদিন ১/৩২, রশিদ খান ১/৪৭)
ফল : অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : ডেভিড ওয়ার্নার।