চট্টগ্রাম থেকে ঈদযাত্রা

বাসে-ট্রেনে শেষ মুহূর্তের ভিড়

ঈদ উপলক্ষে সবাই বাড়ির পানে ছোটায় ব্যস্ত বন্দরনগরী এখন ফাঁকা। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে আর যানজট দেখা যাচ্ছে না। বড় শপিং মল ছাড়া প্রায় দোকানপাটও বন্ধ। স্বজনের সঙ্গে ঈদ করতে অনেকে এরই মধ্যে গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন। গতকাল সোমবার সরকারি-বেসরকারি অফিস শেষে অন্যরাও নগরী ছেড়ে ঘরমুখী হন।

গতকাল নগরীর বহদ্দারহাট, চকবাজার, মুরাদপুর, আন্দরকিল্লা, লালদীঘি, কোতোয়ালি, জিইসি, ২ নম্বর গেইট, টাইগারপাস, আগ্রাবাদ, বাকলিয়া, ইপিজেড এলাকায় বাড়ি যেতে বিভিন্ন স্টেশনমুখী মানুষের ব্যস্ততা চোখে পড়ে। নিজ জেলা নোয়াখালী হলেও ব্যবসার সুবাদে নগরের দিদার মার্কেট এলাকায় থাকেন মানিক। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গ্রামের বাড়িতে আব্বু-আম্মু থাকেন। বিশেষ কাজ ছাড়া সারা বছর গ্রামের বাড়িতে তেমন যাওয়া হয় না। কিন্তু প্রতি বছরই ঈদের সময় বাড়ি যাই। বাসে করে বাড়ি যাচ্ছি। ফিরব আগামী সপ্তাহে।’

তমিজ উদ্দিন নামে বাদুরতলা এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ‘আমাদের গ্রামের বাড়ি পটিয়া হলেও নগরের বাদুরতলায় ঈদ করছি ৪০ বছর ধরে। ঈদের নামাজ পড়ে বিকেলে গ্রামের বাড়িতে যাব। সেখানে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে রাতেই শহরে চলে আসব।’

এদিকে নগরী ক্রমশ ফাঁকা হলেও এখনো স্বল্প আয়ের মানুষ জহুর হকার্স মার্কেট ও নিউমার্কেটে কেনাকাটা করছেন। নগরীর অন্যান্য অভিজাত শপিং মলে বিকিকিনি প্রায় শেষ পর্যায়ে হলেও জহুর হকার্স মার্কেটে এখনো চলছে। এই মার্কেটে চাঁদরাত পর্যন্ত মানুষ কেনাকাটা করে থাকেন।