মন্দিরে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল এক দলিত যুবক। শুধুমাত্র এই ‘অপরাধ’-এ সেই কিশোরের হাত-পা বেঁধে নৃশংস ভাবে পেটাল এক দল যুবক।
গত ১ জুন রাজস্থানের পালি জেলার ধানেরিয়া গ্রামে ঘটনা ঘটলেও ব্যাপক হারে তা প্রচারে আসে ৩ জুন সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর।
কিন্তু নির্যাতনের এখানেই শেষ হয়নি। এক নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে ওই কিশোরকেই আটক করে জুভেনাইল হোমে পাঠিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের যুক্তি, ওই নাবালকের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ দায়ের করেছেন তারই এক কাকা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পকসো (প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস) আইনে তাকে আটক করে হোমে পাঠানো হয়েছে। উল্টে নিগ্রহকারীদের এক জনও ধরা পড়েনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, ওই কিশোরের হাত ও পা একসঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তাকে ঘিরে এক দল যুবক। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাটিতে শুয়ে পড়া ওই কিশোরকে পেটানো শুরু করল দু’-তিন জন। অসহায়ের মতো আর্তনাদ করে চলেছে ওই কিশোর। সঙ্গে রাজস্থানী ভাষায় বারবার কিছু বলার চেষ্টা করছে।
সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ‘ভুল হয়ে গিয়েছে’, ‘আর কখনও হবে না’— এই জাতীয় কথা বলছিল ওই কিশোর। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করে বেধড়ক পিটিয়েছে ওই যুবকরা।