পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বাতিল হয়েছে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি সৌদি আরবে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সম্মেলনে বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে ইমরান খানের সাক্ষাৎকালে এমনটি ঘটেছে।
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এর সূত্রপাত হয়। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। খবর এনডিটিভির।
ভিডিওতে দেখা গেছে, সম্মেলনে একজন দোভাষীকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন সৌদি বাদশাহ সালমান। বাদশাহর দিকে হেঁটে যাচ্ছেন ইমরান খান। ইমরান খানকে স্বাগত জানান বাদশাহ সালমান। এ সময় দুই নেতার মধ্যে কিছু বাক্যবিনিময় হচ্ছিল।
কিন্তু বাদশাহ সালমানকে ইমরান খান যা বলছিলেন- দোভাষী তা ভাষান্তর করে দেয়ার আগেই ইমরান খান শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে হেঁটে ওই স্থান ত্যাগ করেন। ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ইমরান খান।
বেশ কয়েকজন টুইটার ব্যবহারকারী বলেন, বাদশাহকে অসম্মান করেছেন ইমরান খান। এ ছাড়া সৌদি আরবের শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক ভাষা (বড়ি ল্যাংগুয়েজ) নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।
কয়েকজন টুইটার ব্যবহারকারী জানান, এই বাক্যবিনিময়ের পর সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বাতিল হয়েছে।
গত সপ্তাহে পবিত্র শহর মক্কায় ওই বৈঠকের আয়োজন করে সৌদি আরব। ইরানের বিরুদ্ধে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর সমর্থন জোরদার করতে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল।
বৈঠকের ফাঁকে আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি, মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেন ইমরান খান।