দশ বছরে বলিউডকে দিয়েছেন পৌনে ৩ হাজার কোটি রুপি

বর্তমান সময়ে বলিউডের অন্যতম বড় তারকা সালমান খান। প্রতি বছর ভাইজান এক বা একাধিক ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়ে যাচ্ছেন। ২০১৮ সাল তার জন্য ভালো না গেলেও সর্বশেষ এক দশকে তার ছবির মোট আয় অন্য যে কোনো নায়কের চেয়ে বেশি।

সম্প্রতি কইমই ডটকমের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, দশ বছরে সালমান খান অভিনীত সিনেমা আয় করেছে ২৭২৭ কোটি রুপি। অর্থাৎ, পৌনে ৩ হাজার কোটি রুপির কাছাকাছি।

২০১০ সালে মুক্তি পায় পুলিশ অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘দাবাং’। আয় করে নেয় ১৩৮ কোটি রুপি। আর এই ছবির চুলবুল পান্ডে চরিত্রের মাধ্যমে প্রথমবার শত কোটি ক্লাবে পা রাখেন সালমান।

পরের বছর মুক্তি পায় দুই ছবি। কমেডিধর্মী ‘রেডি’ আয় করে ১২০ কোটি রুপি। আর রোমান্টিক-অ্যাকশন ‘বডিগার্ড’ আয় করে ১৪২ কোটি রুপি, এই ছবির গানগুলো দারুণ হিট।

২০১২ সালে কবির খানের পরিচালনায় জুটি হয়ে ফেরেন সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। ‘এক থা টাইগার’ আয় করে ১৯৮ কোটি রুপি। বছরের অন্য ছবি ‘দাবাং টু’ ঝুলিতে পুরে সাড়ে ১৫৮ কোটি রুপি।

এক বছর বিরতির পর ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জয় হো’ প্রত্যাশিত ফলাফলে ব্যর্থ হয়। আয় করে ১১১ কোটি রুপি। তবে অন্য ছবি ‘কিক’ সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেয়। সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার অ্যাকশন-থ্রিলারটি আয় করে ২৩৩ কোটি রুপি। যার মাধ্যমে ২০০ কোটি ক্লাবে পা রাখেন সালমান।

২০১৫ সালে প্রশংসিত ‘বাজরঙ্গি ভাইজান’ সিনেমার মাধ্যমে ৩০০ কোটি ক্লাবে প্রবেশ করেন সালমান। কারিনা কাপুর খানের বিপরীতে অভিনীত সিনেমাটি আয় করে ৩২০ কোটি রুপিরও বেশি। একই বছর মুক্তি পায় ‘প্রেম রতন ধন পায়ো’। ছবির শুরুর আয় চমকে দেওয়া হলেও কাহিনির কারণে অচিরেই কমতে থাকে। তা সত্ত্বেও আয় করে ২০৭ কোটি রুপির বেশি।

২০১৬ সালে সালমানের একটি মাত্র সিনেমা মুক্তি পায়। আনুশকা শর্মার বিপরীতে অভিনীত ‘সুলতান’ আয় করে ৩০০ কোটি বেশি। আর এই নায়কের ক্যারিয়ারে অন্যতম স্মরণীয় ছবি হিসেবে স্থান করে নেয়।

অবশ্য পরের বছর প্রথম সিনেমাটি হতাশাজনক। ঈদের সিনেমা ‘টিউবলাইট’ মাত্র ১২১ কোটি রুপি আয় করে। তবে সিক্যুয়েল ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ খেলায় ফিরিয়ে আনে। আয় করে ৩৩৯ কোটি রুপির বেশি।

২০১৮ সাল খানিকটা হতাশাজনক। ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘রেস থ্রি’ আয় করে মাত্র ১৬৯ কোটি রুপি। আর চলতি বছর ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘ভারত’ এক সপ্তাহে ঘরে তুলেছে ১৬৭ কোটির রুপি। সিনেমাটি হয়তো ২০০ কোটি ক্লাবে প্রবেশ করবে শিগগিরই।

উপরে উল্লেখ করা আয় শুধু ভারতের বাজার থেকে তুলে নেওয়া। সালমানের সিনেমা বরাবরই বিদেশি দর্শকদেরও পছন্দ।

এ ছাড়া সালমানের হাতে থাকা দাবাং থ্রি, ইনশাল্লাহ বা কিক টু’র প্রতিও দর্শক আগ্রহ রয়েছে।