কিরগিজস্তানে চীনা নেতৃত্বাধীন জোট সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার করবেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমনটাই জানিয়েছে।
জি নিউজ জানায়, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার সাংবাদিকদের বলেন, “ওমান, ইরান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো হয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিমান কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে যাবে।”
এর আগে জানা যায়, পাক আকাশপথ ব্যবহারের জন্য ইসলামাবাদের থেকে অনুমতি চেয়েছিল নয়াদিল্লি। পাকিস্তানও এতে রাজি হয় এবং মোদির বিমানের পাক আকাশপথ ব্যবহারে সম্মত হয়।
তবে সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পাকিস্তানের উত্তরের অপেক্ষা না করেই সিদ্ধান্ত বদল করে মোদি সরকার।
১৩ ও ১৪ জুন বিশকেকে এসসিও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে যোগ দেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও। সম্মেলনে মোদির সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে কোনো দেশের কূটনৈতিক সূত্র এখনো কিছু নিশ্চিত করেনি।
ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে সৃষ্ট যুদ্ধাবস্থার পর নয়াদিল্লির জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় ইসলামাবাদ।
কাশ্মীরভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদ পুলওয়ামায় এ হামলা চালায়। এতে নিহত হয় ভারতের আধা সামরিক বাহিনীর ৪৯ সদস্য।
তবে পাকিস্তানের সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতায় এ হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করে ভারত। পাকিস্তান তা নাকচ করে দিলেও দেশটির সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমান দিয়ে হানা দেয় ভারত। সেই সঙ্গে শুরু হয় পাল্টাপাল্টি ডক ফাইট। যাতে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের তাড়া খেয়ে পিছু হটে ভারত।
সে সময় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে হামলা চালানোর অভিযোগে ভারতীয় বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান। সেই থেকে ভারত থেকে সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে পাকিস্তানে।