ফর্মের তুঙ্গে থেকে বিশ্বকাপে পা রেখেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ইনজুরির চোখ রাঙানি এড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার পর বিশ্বকাপ দিয়েই ফের অস্ট্রেলিয়ার জার্সি গায়ে জড়ানো ওয়ার্নারের ব্যাটিং নিয়ে কিছু সমালোচনাও ডানা মিলেছিল।
বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে তার ধীর ব্যাটিং। তবে সেই সমালোচনাকে ছুড়ে ফেলে ওয়ার্নার ফিরলেন স্ব-মহিমায়। বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে তুলে নিলেন সেঞ্চুরি। নিষেধাজ্ঞা শেষে ফেরার পর অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এটিই তার প্রথম শতক।
টাউনটনে পাকিস্তানের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়া দারুণ শুরু করে। দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার উদ্বোধনী জুটিতেই যোগ করে ১৪৬ রান। সেটি ২২.১ ওভারেই। অধিনায়ক ফিঞ্চ সেঞ্চুরি পাননি। ৮৪ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৮২ রান করে ফেরেন। তবে ওয়ার্নার তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিজের ১৫তম সেঞ্চুরি।
ভারতের বিপক্ষে ধীর ব্যাটিংয়ে সমালোচিত হলেও খেলেছিলেন ৫৬ রানের ইনিংস। ঠিক তার আগের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩ রানে আউট হন। আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে করেছিলেন অপরাজিত ৮৯ রান। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের দৌড়ে এখন সাকিব আল হাসানকে টেক্কা দিচ্ছেন অজি ওপেনার।
১০৭ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে ইমাম-উল-হককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওয়ার্নার। ১১১ বলে ১১ চার ও ১ ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজিয়েছেন।
৪ ম্যাচে ওয়ার্নারের রান এখন ২৫৫। একটি সেঞ্চুরির সঙ্গে ২টি ফিফটি তার। তার চেয়ে ৫ রান বেশি করে আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সবার ওপরে সাকিব। তবে ওয়ার্নারের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলেছেন সাকিব। একটি সেঞ্চুরির সঙ্গে ২টি ফিফটি বাংলাদেশি অলরাউন্ডারের।
ওয়ার্নারের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছে মজবুত ভিত।