আইনশৃঙ্খলায় বরাদ্দ বাড়ছে ৬৩৮ কোটি টাকা

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের (জননিরাপত্তা এবং সুরক্ষা সেবা) জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ৬৩৮ কোটি টাকা বেশি। এই হিসাবে বরাদ্দ বাড়ছে এক শতাংশেরও কম।

চলতি অর্থবছরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই দুই বিভাগের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২৪ হাজার ৯৭৭ কোটি ১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে পুলিশ অধিদপ্তরের জন্য। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অধীনে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অধিদপ্তর, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। এ ছাড়া সুরক্ষা সেবা বিভাগের অধীনে আছে কারা অধিদপ্তর, বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও অগ্নিনির্বাপণ অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর।

প্রস্তাবিত বাজেটে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ২০০ শয্যার হাসপাতাল করতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কারা নিরাপত্তা আধুনিকায়নের ব্যবস্থাও থাকছে এবারের বাজেটে। ই-পাসপোর্ট এবং স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনাও প্রবর্তন করা হচ্ছে। দেশের ৪টি শহরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ল্যাবরেটরি স্থাপনের জন্য বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে এই বাজেটে।

পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্টগার্ডের কর্মদক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার খাতের মধ্যে রাখা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসাধারণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধানের উদ্দেশ্যে এসব বাহিনীকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন এবং মানব ও মাদক পাচার রোধের জন্য বিজিবির পুনর্গঠনকে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।