গণআন্দোলনে আটকে যাচ্ছে হংকংয়ের বহিঃসমর্পণ বিল

চীন, ম্যাকাউ এবং তাইওয়ানে বহিঃসমর্পণের সুযোগ রেখে প্রস্তাব করা বিতর্কিত বিলটি এখনই পাস করছে না হংকং সরকার। সাধারণ মানুষের তীব্র আন্দোলনের মুখে বিলটি স্থগিত করতে যাচ্ছে চীনপন্থী কর্মকর্তারা।

বিবিসি জানিয়েছে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যারি ল্যাম বিলটি বাতিল করতে রাজি না হলেও বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা এটি স্থগিত করতে তাকে তাগাদা দেন।

এই বিল ঠেকাতে হংকংয়ের ১০ লাখের বেশি মানুষ রাস্তায় নামেন। ১৯৯৭ সালে চীনের অধীনে আসার পর এটাই হংকংয়ের সবচেয়ে বড় আন্দোলন। হংকংয়ের জন্যই চীন ‘এক দেশ দুই ব্যবস্থা’ পদ্ধতি চালু রেখেছে।

বিতর্কিত এই বিল পাস হলে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত বাসিন্দাদের অন্য কোথাও বহিঃসমর্পণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়ার এখতিয়ার রাখবে হংকংয়ের আদালত।

সমালোচকেরা বলছেন, একে কাজে লাগিয়ে চীন হংকংয়ের রাজনৈতিক বিরোধীদের বিপদে ফেলতে পারে।

কিন্তু চীনপন্থী শাসকেরা বিরোধীদের আশঙ্কাকে অস্বীকার করছেন। ধর্মীয় বা রাজনৈতিক কারণে কোনো বাসিন্দাকে অন্য কোনো দেশের হাতে তুলে দেওয়া হবে না বলে দাবি তাদের। ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্তদের তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক নীতিমালা মানা হবে বলে আশ্বস্ত করছেন তারা।

ছুটিতে তাইওয়ান গিয়ে গর্ভবতী বান্ধবীকে খুন করে বাড়ি ফিরে আসা এক বাসিন্দাকে তাইপের কাছে হস্তান্তরের লক্ষ্যে হংকংয়ের চীনপন্থী শাসকেরা এ সংশোধনী বিল প্রস্তাব করেন।