দেশের দুটি সীমান্ত পথে গত শনিবার রাতে ও গতকাল রবিবার ভারত থেকে দেশে ফিরেছে ১১ কিশোর-কিশোরী, দুই দেশের প্রশাসনের সহযোগিতায়। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় পাচার হওয়া ছয় কিশোরী ফিরেছে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে আর বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সে দেশে এক বছর কারাভোগের পর চার কিশোর ও এক কিশোরী। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
পঞ্চগড় : বিভিন্ন সময় পাচার হওয়া ছয় কিশোরীকে গতকাল রবিবার দুপুরে বিজিবি-বিএসএফের সহযোগিতায় পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ওই কিশোরীদের কেউ এক বছর, কেউ চার আবার কেউবা সাত বছর আগে পাচার হয়েছিল। কিশোরীদের বাড়ি খাগড়াছড়ি, পটুয়াখালী, নড়াইল, বাগেরহাট, যশোর ও খুলনা জেলায়।
কিশোরীদের ভারতের ফুলবাড়ী হয়ে বাংলাবান্ধা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে আনা হয়। সেখানে তাদের পুলিশ ও দেশের একটি বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় বিজিবি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শার্শা (যশোর) : ভারতে এক বছর কারাভোগের পর পাঁচ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরীকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। গত শনিবার রাতে এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ হয়। এদের মধ্যে চার কিশোর ও এক কিশোরী রয়েছে।
ভারতের পেট্রোপোল বিএসএফ ক্যাম্প কমান্ডার এসআই কাপুর ডাং তাদের বেনাপোল আইসিপি বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আতিয়ার রহমানের কাছে তুলে দেন। ফিরে আসা বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরীরা হচ্ছে আবু রায়হান, আপন, সেলিম, রাব্বী ও কিশোরী শাহানা খাতুন।
আইসিপি ক্যাম্পের সুবেদার বাকিবিল্লাহ জানান, ভালো কাজের আশায় দেড় বছর আগে এসব কিশোর-কিশোরী দালালের খপ্পরে পড়ে সীমান্ত পথে ভারতে যায়। এ সময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের কলকাতা শহর থেকে আটক করে। পরে তাদের এক বছর সাজা হয়।