২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব সংগ্রহের ৭৩ শতাংশ ধরা হয়েছে ভ্যাট ও আয়কর থেকে। এর মাধ্যমে সাধারণ জনগণের ওপর বড় অঙ্কের করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন খাত সংশ্লিষ্টরা। গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, কৃষক সংগঠন ও নাগরিক সমাজের নেটওয়ার্ক ইক্যুইটিবিডি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ কথা বলা হয়। ইক্যুইটিবিডির চিফ মডারেটর রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমিনুল হক, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সভাপতি এ এস এম বদরুল আলম ও এসএ টিভির বিজনেস এডিটর সালাউদ্দিন বাবলু। আগামী অর্থবছরে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকার বিশাল অঙ্কের রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব আখ্যা দিয়ে বক্তারা বলেন, ইতিপূর্বে কোনো আর্থিক বছরে এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। আগামী বাজেট জনকল্যাণমুখী না হয়ে প্রবৃদ্ধিনির্ভর হয়েছে। এতে করের আওতা বাড়ানো হয়েছে যা অনেকটা জমিদারি শাসনের কায়দায়। এছাড়া ঋণখেলাপিদের সুবিধা দান ও কালো টাকা সাদা করার নীতি নেওয়া হয়েছে।