পুলিশের উপমহাপরিদর্শক মিজানুর রহমানের (ডিআইজি মিজান) ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তর তদন্তে কমিটি করেছে।
সোমবার এই কমিটি গঠন করা হয় বলে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ড. মইনুর রহমান চৌধুরীর (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন) নেতৃত্বে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) শাহাবুদ্দীন কোরেশী ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মিয়া মাসুদ হোসেন।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পুলিশের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে।
পুলিশের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনা হবে পুলিশের ডিআইজি মিজানকে। ঘুষ লেনদেন করায় তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ সদর দপ্তর। আগেই নানা অভিযোগে তাকে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে শাস্তিমূলকভাবে সরিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
দুদক পরিচালকের সঙ্গে তার ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পুলিশ সদর দপ্তর বিষয়টি আলাদাভাবে তদন্ত করবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘তিনি কীভাবে ঘুষ দিয়েছেন, ঘুষের টাকা কোথায় পেয়েছেন সেটারও তদন্ত হবে।’ তার অপকর্মের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘যেহেতু মিজান নিজেই বলেছেন তিনি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন সেটা সত্য-মিথ্যা যাই হোক; এটা একটা ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধের কারণে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’