আড়াই বছর পর সিনেমার ক্যামেরার সামনে পরীমনি

প্রায় ৪০০ একক ও ১৮টি ধারাবাহিক নাটকের পরিচালক চয়নিকা চৌধুরীর ১ম চলচ্চিত্র ‘বিশ্বসুন্দরী’র শুটিং শুরু হলো। মঙ্গলবার থেকে ফরিদপুরে প্রথম পর্যায়ের চিত্রধারণের কাজ শুরু হয়েছে।

চয়নিকা চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ ছবির গল্প, চরিত্র ও শুটিং লোকেশন নিয়ে কাজ করেছি। শুটিং পূর্ববর্তী কাজে সন্তুষ্ট না হয়ে আমরা কেউই এই স্বপ্নের প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চাইনি। আমি আশাবাদী সবাই মিলে দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবার মতো একটি চলচ্চিত্র উপহার দিতে পারব।’

পরিচালক আরও জানান, প্রথম পর্যায়ের শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি, ফজলুর রহমান বাবু ও মনিরা মিঠু সহ আরও অনেকে। পরবর্তী লটে যোগ দেবেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা, চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ, আনন্দ খালেদ সহ অন্যরা। শিল্পী তালিকায় রয়েছে আরও বেশ কিছু চমক। গতকাল ক্যামেরা ওপেন করার আগে ক্ল্যাপস্টিক দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হয়।

আবেগাপ্লুত নবাগত চলচ্চিত্র পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী বলেন, আমি সংখ্যাতত্ত্বে তেমন বিশ্বাস করিনা। তারপরও ভাবতে ভালো লাগছে, ১৮ আগস্ট ২০০১ সালে নাট্যপরিচালক হিসেবে দর্শক প্রথম আমাকে চিনেছিলেন। ১৮ বছর পর ১৮ তারিখেই চলচ্চিত্রের ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালাম। ১৮ আগস্ট ২০০১ দিনটিও ছিল মঙ্গলবার। এবারও মঙ্গলবারই আমার প্রথম চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হলো। পুরো বিষয়টিই কাকতালীয়। প্রকৃতিই হয়তো এমনটি চেয়েছিল। আশা করছি ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবার সহযোগিতায় দর্শকদের মনে রাখার মতো একটি চলচ্চিত্র উপহার দিতে পারব।

সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রের কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন রুম্মান রশীদ খান।

‘বিশ্বসুন্দরী’ ছবির শুটিংয়ের মাধ্যমে প্রায় আড়াই বছর পর চলচ্চিত্রের ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তিনি বলেন, ‘স্বপ্নজাল’-এ অভিনয় করার পর থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ভালো মানের চলচ্চিত্র, মন ছুঁয়ে যাবার মতো চিত্রনাট্য ও চরিত্র না পেলে আর কখনোই চলচ্চিত্রে কাজ করব না। ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রের ‘শোভা’ চরিত্রটি শুধু আমি নই, যে কোনো অভিনেত্রীর জন্যই বিশেষ কিছু। আশা করি দর্শক আমার থেকে  নতুন কিছু পেতে যাচ্ছে।