মৌসুমি ফলে রাসায়নিক

বিএসটিআইর প্রতিবেদনে অসন্তোষ হাইকোর্টের

আমসহ মৌসুমি ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক নিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি মৌসুমি ফলে রাসায়নিক ব্যবহার বন্ধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ও কীভাবে বাজার তদারকি করা হচ্ছে, এ বিষয়ে পুলিশ ও র‌্যাবকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়। ২৩ জুন এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

গতকাল আদালতে দাখিলকৃত বিএসটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৬৫টি নমুনায় তারা ক্ষতিকর ফরমালিন বা রাসায়নিকের কোনো অস্তিত্ব পায়নি। কিন্তু প্রতিবেদনটি অসম্পূর্ণ থাকায় ফের প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এর আগে আমসহ মৌসুমি ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার রোধে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ এপ্রিল হাইকোর্টের এই বেঞ্চ এক আদেশে সারা দেশের বড় বড় আমবাগানে পুলিশের নজরদারির কথা বলে। পাশাপাশি বিষয়টি তদারকি করার জন্য তদারকি দল গঠনের নির্দেশ দেয়। তবে এ আদেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২০ মে ওই আদেশের পুনরাবৃত্তি করে হাইকোর্ট। পাশাপাশি বাজারে থাকা আম পরীক্ষা করে বিএসটিআইকে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়। গতকাল বিএসটিআইয়ের আইনজীবী সরকার এম আর হাসান মামুন প্রতিবেদন দাখিল করেন।