সিলেট মহানগরীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ১১০টি ইন্টারনেট প্রটোকল (আইপি) ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। ‘ডিজিটাল সিলেট সিটি’ প্রকল্পের আওতায় চীনের হুয়াওয়ে কোম্পানির সহায়তায় প্রায় ৪ কোটি টাকা খরচে বসবে এসব ক্যামেরা। এই ক্যামেরায় অপরাধী এবং অপরাধে জড়িত যানবাহনের গতিবিধি ধরা পড়বে। এজন্য কোতোয়ালি থানায় একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ পরিদর্শন করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এ সময় তিনি বলেন, সরকার দেশকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজড করতে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশকে (এসএমপি) তথ্য প্রযুক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে আইপি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। আশা করি এই প্রযুক্তির ব্যবহারে সিলেট নগরী আরও নিরাপদ হয়ে উঠবে। নগরবাসী নিশ্চিন্তে ও শান্তিতে থাকবে। তিনি সিলেটবাসীকে নিরাপদ রাখতে পুলিশ প্রশাসনকেও আরও সক্রিয় হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
সে সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, এসএমপির অতিরিক্ত কমিশনার পরিতোষ ঘোষ, উপকমিশনার কামরুল আমিন, ফয়সাল মাহমুদ, সহকারী কমিশনার ইসমাইল হোসেন, কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিয়া, আইপি ক্যামেরা স্থাপনের প্রকল্প পরিচালক মহিদুর রহমান, প্রকল্পের স্থানীয় অংশীদার গ্লোবাল ট্রেড করপোরেশনের সিইও মছনুল করিম চৌধুরী ও হুয়াওয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সিলেট নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফাইবার কেব্লের মাধ্যমে ১১০টি আইপি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। নগরীর জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার, চৌহাট্টা, কোর্টপয়েন্ট, কিনব্রিজের দুইপ্রান্ত, কদমতলী, সুবিদবাজার, আম্বরখানা, নয়াসড়ক, কুমারপাড়া, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার এলাকাসহ জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।