প্রত্যাশার চাপে কি ভেঙে পড়লেন রশিদ খান?

২০১৮ সালে ৪৮ উইকেট। একই অ্যাকশনে বৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বোলিং। সবকিছু মিলিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের চোখের মণি হয়ে উঠেছিলেন রশিদ খান। এবারের বিশ্বকাপেও তাই অন্যসব স্পিনারের চেয়েও আফগান ‘পোস্টার বয়’ রশিদের দিকে নজর ছিল ক্রিকেটবিশ্বের। আফগানিস্তান ও তাদের বিশ্বকাপ যাত্রায় তাকে ঘিরে পরিকল্পনা করেছিল বোলিং আক্রমণের। এতসব চাপেই কি বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে এসে নিজেকে হারিয়ে ফেললেন রশিদ খান?

ইংল্যান্ডের মাঠ কখনো স্পিনারদের জন্য স্বর্গরাজ্য ছিল না। তাই বলে স্পিন তারকাদের মাঝে ওপরের দিকে থাকবেন না রশিদ? দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির ও বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান স্পিনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ উইকেট শিকার করেছেন। সেখানে রশিদের শিকার মাত্র ৪টি। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, আফগানিস্তান দলের অন্য স্পিনারদের চেয়েও পিছিয়ে এ লেগি। মোহাম্মদ নবির শিকার ৭ আর মুজিব উর রেহমানের শিকার ৫। শুধু তাই নয়, রশিদ বিশ্বকাপের স্মরণকালের সেরা বাজে বোলিং ফিগারের রেকর্ডের মালিক হয়েছেন এবার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১১টি ছক্কা হজম করে দিয়েছেন ৯ ওভারে ১১০ রান।

এত কিছুর পরও অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব সমর্থন দিচ্ছেন রশিদকে। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাজে ফিল্ডিং তাকে হতাশ করে দিচ্ছে। আমি তাকে বলেছি সবকিছু বাদ দিয়ে বোলিংয়ে দৃষ্টি রাখতে। সে কঠোর পরিশ্রম করছে। আশা করি শেষ দুই ম্যাচে তার সেরাটা পাব।’