যুক্তরাজ্যকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের করে আনার (ব্রেক্সিট) পরিকল্পনা নিয়ে ভিন্ন অবস্থানে আছেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকা শেষ দুই প্রার্থী বরিস জনসন ও জেরেমি হান্ট। টেরিজা মে’র সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের দাবি, তারা ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ফের দরকষাকষি করতে পারবেন। যদিও ইইউ বলছে এই পথ বন্ধ।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, জনসন বলছেন, চুক্তি হোক বা না হোক, যুক্তরাজ্যকে অবশ্যই পরবর্তী তারিখ ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইইউ ছাড়তে হবে। অন্যদিকে হান্ট বলছেন, এটি ‘ভুয়া সময়সীমা’। পার্লামেন্ট চুক্তিহীন ব্রেক্সিট না চাইলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
আগামী ২৪ জুলাই টেরিজা মে’র স্থলাভিষিক্ত হবেন উল্লিখিত দুজনের একজন। স্থানীয় টক রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জনসন বলেন, তিনি হ্যালোইন উৎসবের সময় যুক্তরাজ্যকে ইইউ থেকে বের করে আনবেন। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী হান্টকেও একই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যদিকে হান্ট বলেছেন, তিনি চুক্তি ছাড়াই ইইউর সঙ্গে বিচ্ছেদে আগ্রহী। তবে ভালো চুক্তির সম্ভাবনা থাকলে সে সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। এমন বাস্তবতায় সাবেক ব্রেক্সিটমন্ত্রী ও জনসনের সমর্থক ডমিনিক রাব বলছেন, ব্রেক্সিটের সময় আরেকবার বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা বলে হান্ট ‘দুর্বলতা’ ও ‘কাঁচামি’ প্রকাশ করছেন। বিবিসির রেডিও ৪-এর টুডে অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আরেকবার সময় বাড়ানো নিয়ে ছলাকলা করা মাত্রই আপনার দরকষাকষির সুবিধাকে অবনমিত করবেন।’