‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত প্রশান্ত মাদক বিক্রেতা নয় বলে দাবি পরিবারের

কুমিল্লায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি'র সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত প্রশান্ত কুমার দাস মাদক বিক্রেতা নয় বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার।

শুক্রবার ভোরে সদর উপজেলার বিবিরবাজার সীমান্তে মাদক বিক্রেতাদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয় প্রশান্ত কুমাার দাস (২৯)।

সে কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলী এলাকার বাদল চন্দ্র দাসের ছেলে।

বন্দুকযুদ্ধে নিহত প্রশান্ত কুমাার দাস ও নাজমুলসহ দু’জনকে শুক্রবার বেলা আড়াইটায় বিবির বাজার এলাকা থেকে আটক করে বিজিবি।

১০ বিজিবি'র অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, ভারত সীমান্তবর্তী বিবিরবাজার এলাকায় বিজিবির একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছিল। এ সময় মাদক চোরাকারবারিরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে এক মাদক ব্যবসায়ী প্রশান্ত কুমাার দাস আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া শোনা গেছে অনেকের মুখে। সোশাল মিডিয়াতেও দেখা গেছে বিভিন্ন বক্তব্য।

একে ‘পরিকল্পিত হত্যা’ বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার।

নিহত প্রশান্ত কুমাার দাসের বড় ভাই শিবলু চন্দ্র দাস জানান, আমার ভাইয়ের নামে থানায় কোনো মামলা নেই।

তিনি জানান, ‘প্রশান্তের সঙ্গে ইয়াবাসহ আটক মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দিয়েছে বিজিবি’।

তিনি এ ঘটনার সুষ্ট তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

প্রশান্তের ছোট ভাই রামু চন্দ্র দাস জানান, আটকের পর ৩টায় তিনি বিবির বাজার বিজিবি ক্যাম্পে দেখা করতে যান, বিজিবি তার সঙ্গে দেখা করতে দেননি।

রামু বলেন, প্রশান্ত বিয়ের ভিডিওগ্রাফার ছিলেন, কখনো মাদকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।