‘দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে, বড় আধুনিক রাষ্ট্রেও হয়ে থাকে’

সরকার সব ধরনের সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, বলেছেন দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। বিচ্ছিন্ন ঘটনা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় আধুনিক রাষ্ট্রেও হয়ে থাকে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হানিফ বলেন, এ দেশে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও হত্যা-খুনের রাজনীতি শুরুই করেছে বিএনপি। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সময়ে ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সালের কথা জাতি ভুলে যায়নি। ২৬ হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল তারা। সারাদেশে সন্ত্রাসের তাণ্ডব চালিয়ে ওই সময়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আমাদের সরকার সব ধরনের সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। তবে দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। বিচ্ছিন্ন ঘটনা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় আধুনিক রাষ্ট্রেও হয়ে থাকে।”

তিনি বলেন, “আমরা ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি। সরকার ব্যর্থ এমন কথা বিএনপির মুখে মানায় না। কারণ তারা ক্ষমতায় থাকতে ২১ আগস্ট, বাংলা ভাইদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।”

এসময় হানিফ বলেন, “বিএনপির সাংসদরা আবারও বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। আমরা আগেও বলেছি যে, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন, বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তৃতীয় পাঠক মাত্র। ওই সময় তাকে দিয়ে এক প্রকার জোর করে এ ঘোষণা পাঠ করানো হয়েছিল।”