প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও মোবাইল ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের উত্তর বলে দেওয়া জালিয়াতি চক্রের ১২ নারীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার আটকদের আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার নেত্রকোনায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওইদিন দুপুর দেড়টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলার ছয়ানি গ্রামের মনিরুজ্জামান ভুইয়া শামীমের বাড়ী থেকে তাদেরকে আটক করে কেন্দুয়া থানা পুলিশ।
ওই রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও পাবলিক পরীক্ষা অপরাধ আইনে কেন্দুয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান মিয়া জানান, জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান ওরফে ছোটন এ চক্রের নেতৃত্ব দেন। ৫-৬ বছর ধরে এই চক্রটি কাজ করে আসছে। এই প্রক্রিয়ায় অনেকেই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে অদ্যবধি চাকরি করছেন বলেও জানান তিনি।
এসময় তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল ও প্রিন্টার জব্দ করা হয়। আটকরা নেত্রকোনা সদর, কেন্দুয়া, আটপাড়া, ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকার বাসিন্দা। আটকদের মধ্যে কেউ শিক্ষক, কেউবা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজপড়ুয়া ছাত্রও রয়েছে।
এদিকে এ চক্রের মূল হোতা ছোটনের আরেকটি পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি ঘিউর থানার ওসি এমদাদুল হক পুতুলের ভাই। আর যে স্থান থেকে এ চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়েছে সেটি ওসির স্ত্রী’র ভাই শিল্পপতি শামীমের বাড়ি।