সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, লুট

নোয়াখালীর সুধারাম থানার দক্ষিণ শুল্লকিয়ায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষকরা টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে বলে জানা গেছে। এ সময় স্বামীর দায়ের কোপে এক ধর্ষক আহত হয়।

ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ (৩০) ও তার স্বামী জানান, বুধবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে ঘরের সিঁধ কেটে চার সন্ত্রাসী ঘরে ঢুকে। তারা স্বামীকে আটক করে তার স্ত্রীকে (৩০) দলবদ্ধ ধর্ষণ করে। তারা স্বর্ণের হার ও কানের দুল, ঘরে থাকা নগদ ৯০ হাজার টাকা ও ১টি মোবাইল সেট নিয়ে যায়। এ সময় স্বামীর দায়ের কোপে সুলতান (৩৫) আহত হয়। এরপর তারা পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।

প্রতিবেশীরা জানান, সন্ত্রাসীরা পালানোর সময় তারা পশ্চিম শুল্লকিয়ার সুলতান আহমদকে আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় এবং একই গ্রামের কামাল হোসেনকে পালিয়ে যেতে দেখেছেন।

প্রতিবেশীরা ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ ও তার স্বামীকে বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (উপপরিচালক) ডা. খলিল উল্যাহ জানান, ভিকটিমকে হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে পুলিশের অনুমতি পেলে ধর্ষণের পরীক্ষা নেয়া হবে।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, এ ব্যাপারে এখনো থানায় কোনো মামলা হয়নি। খবর পেয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাসপাতালে গিয়ে ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলেছে।

পুলিশ পরিদর্শক আবদুল বাতেন জানান, ভিকটিমের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন।